রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬ এ ০৫:৩৯:৩৭ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• রাশেদ খানকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির •       • রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস, ৪৬ পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ •       • এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •

মুরাদনগরে ১০টি সরকারি গাছ কর্তন

মুরাদনগরে ১০টি সরকারি গাছ কর্তন

ঢাকা প্রেস
আবুল কালাম আজাদ,কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ


০৮-০৮-২৪ কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ২নং আকুবপুর ইউনিয়নের মেটাংঘর-হোসনাবাদ-সড়কের হোসনাবাদ গ্রামের জামে মসজিদের সামনে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ১০টি সরকারি গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে।

 

মুরাদনগরে ১০টি সরকারি গাছ কর্তন



অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শিমুল বিল্লাহ নির্দেশে হোসনাবাদ গ্রামের সোনা মিয়া ছেলে হিরণ মিয়া, মৃতঃ মনু মিয়ার ছেলে আলী আক্কাস,কালা কাজির ছেলে শাহেদ মিয়া ও আঃ আলিম, শিশু মিয়ার ছেলে জসিম মিয়া মাওঃ সোলেমানসহ আরো অনেক প্রভাবশালীরা গাছগুলো কেটে নিয়েছেন।

উপজেলা প্রশাসন ও এলাকাবাসী সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন ১নং আকুবপুর ইউনিয়নের মেটাংঘর-হোসনাবাদ সড়কের  হোসনাবাদ গ্রামের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও মাদ্রাসার সামনে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়। ইউপি চেয়ারম্যান শিমুল বিল্লাহ নির্দেশে স্থানীয় প্রভাবশালীরা নিজেদের দাবি করে ১০টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ বিক্রি করে দেন।

 

মুরাদনগরে ১০টি সরকারি গাছ কর্তন — ছবি ২



মুরাদনগর উপজেলার হিরাকাশি গ্রামের কাঠ ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন আনু ২৯ হাজার টাকায় গাছগুলো কেনেন। গত বুধবার সকাল থেকেই  কাঠ ব্যাবসায়ী আনোয়ার হোসেন আনু লোকজন গাছ কাটা শুরু করেন। এ ব্যাপারে আকুবপুর সহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোঃ সোহাগ বলেন, এটি সরকারি সড়ক, এখানে জনগণের কোনো জমি নেই।

ইউপি চেয়ারম্যানের ইন্ধনে গাছগুলো কাটা হয়েছে। এসব গাছের মূল্য ১ লাখ টাকার বেশি হবে। চেয়ারম্যান শিমুল বিল্লাহ বলেন, আমি এব্যাপারে কিছুই জানি না। তারা ভয়ে হয়তো আমার নাম প্রকাশ করেছে। এদের বিচার হওয়া উচিত।

মুরাদনগর উপজেলা সামাজিক ও বন অফিসার আবদুল মতিন বলেন, বিষয়টি আমি জানি না। আজকে শুনেছি। তদন্ত করে প্রমাণ সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ রায়হানুল আলম বলেন, পাঁচ-ছয় বছর আগে সোয়া কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকাজুড়ে সরকারিভাবে গাছগুলো লাগানো হয়। গাছগুলো কে বা কারা কেটে ফেলেছে বলে তিনি শুনেছেন। মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিফাত উদ্দিন বলেন, যারাই সরকারী গাছ কেটে নিয়ে বিক্রি করেছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।