বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:৩৫:১০ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• আল্লামা হাশেমী শিক্ষা বৃত্তি অর্জন: একই মঞ্চে বাবার গৌরব ও মেয়ের জোড়া সাফল্য •       • চুনারুঘাটে অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলন: চালক আটক, ১ লাখ টাকা জরিমানা •       • কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মর্মান্তিক মৃত্যু, নিখোঁজ ২ •       • শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসবে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে আনসার-ভিডিপি: উপ-মহাপরিচালক ড. সাইফুর রহমান •       • হাতিয়ায় ছাত্রশিবিরের জুলাই শহীদ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন: চ্যাম্পিয়ন তমরুদ্দি হাইস্কুল •       • কীর্তিমানের আলো ও মেধার সম্মান: রাজধানীতে চট্টগ্রাম সমিতির মহা-মিলনমেলা •       • বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রথম মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠার আহ্বান •       • কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০, ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত •       • অভিযানেও থামছে না অবৈধ অটোরিকশা, ডাম্পিং এড়াতে আরও বেপরোয়া চালকরা •       • মুরাদনগরে ২৮ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার •

ধরলার পাড়ে ৩০ একর জায়গায় হচ্ছে কুড়িগ্রাম ডিসি পার্ক

ধরলার পাড়ে ৩০ একর জায়গায় হচ্ছে কুড়িগ্রাম ডিসি পার্ক

আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:-


 

উত্তরের সীমান্ত ঘেঁষা জেলা কুড়িগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে চিত্তবিনোদনের কোনো কাঙ্ক্ষিত জায়গা ছিল না। চরাঞ্চল ও নদীঘেরা এই জেলাকে পিছিয়ে থাকা অবস্থা থেকে টেনে তোলার অংশ হিসেবে এবার ধরলা নদীর পাড়ে গড়ে উঠছে স্বপ্নের ‘কুড়িগ্রাম ডিসি পার্ক’। জেলা প্রশাসক নুসরাত সুলতানার এ উদ্যোগে নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে বিনোদনপ্রেমী মানুষ, তরুণ সমাজ এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
 

কুড়িগ্রাম জেলা শহরের একমাত্র ভরসার জায়গা ছিল ধরলা সেতুর পাশের নদীপাড়। সরকারে পড়ে থাকা প্রায় ৩০ একর পরিত্যক্ত জমিতে নির্মিতব্য এই পার্ক নিয়ে এখন জেলাজুড়ে প্রত্যাশা তুঙ্গে।
 

শুধু বিনোদন নয়—ডিসি পার্ক হয়ে উঠবে কর্মসংস্থানের নতুন হাব, অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন দ্বার। পার্কের পাশেই গড়ে উঠছে অর্থনৈতিক অঞ্চল, যা বাড়তি গুরুত্ব যোগ করছে এ প্রকল্পে।
 

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক নুসরাত সুলতানা বলেন, ‘জেলায় কোনো বিনোদনকেন্দ্র নেই। তাই ধরলার পাড়ে সকলের মতামতের ভিত্তিতে ডিসি পার্ক গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নামকরণটি জনপ্রতিনিধিদের মতামতের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত করা হয়েছে, আমার ব্যক্তিগত কোনো প্রস্তাব ছিল না।’
 

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও নাগরিক সমাজও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ নাহিদ বলেন, ‘নাম যা-ই হোক, আমাদের দরকার কর্মসংস্থান আর একটি বিনোদনের জায়গা।’
 

জামায়াতে ইসলামীর কুড়িগ্রাম জেলার আমীর মুফতি আব্দুল মতিন ফারুকী বলেন, ‘সব দলের মতামত নিয়ে এ সিদ্ধান্ত হওয়ায় আমরা এতে সম্পূর্ণ একমত।’
 

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, ‘এটি কুড়িগ্রামের জন্য যুগান্তকারী এক পদক্ষেপ।’
 

নাগরিক কমিটির মো. মুকুল মিয়া জানালেন, ‘আমরা পার্ক বাস্তবায়নের দ্রুত কার্যক্রম দেখতে চাই।’
 

ধরলার পাড়ে ঘুরতে আসা শিক্ষার্থী সাদিকুর রহমান বললেন, ‘এই পার্ক হলে কুড়িগ্রাম হয়ে উঠবে রোল মডেল।’
 

কুড়িগ্রামে ডিসি পার্ক এখন আর কেবল একটি প্রকল্প নয়—এটি হয়ে উঠেছে স্বপ্ন, প্রত্যাশা আর পরিবর্তনের প্রতীক। কুড়িগ্রামের মানুষ এখন চায়—স্বপ্নের সেই পার্কের দ্বার যেন খুব শিগগিরই খুলে যায় সবার জন্য।