মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬ এ ০৩:৪৫:৪১ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• রাশেদ খানকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির •       • রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস, ৪৬ পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ •       • এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •

সর্বজনীন পেনশন: এক লাখ গ্রাহক অতিক্রম, ৪২ কোটি টাকা জমা

সর্বজনীন পেনশন: এক লাখ গ্রাহক অতিক্রম, ৪২ কোটি টাকা জমা

ঢাকা প্রেস: সর্বজনীন পেনশন স্কিমে নিবন্ধনকারী গ্রাহকের সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়েছে।
এটি একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন, যা মাত্র ১৩ দিনের মধ্যে সম্ভব হয়েছে।
সরকারি তহবিলে ৪২ কোটি টাকা জমা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট সর্বজনীন পেনশন স্কিম উদ্বোধন করেন।
প্রাথমিকভাবে চারটি স্কিম চালু করা হয়: প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা।
পরবর্তীতে, সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্য 'প্রত্যয়' নামে নতুন স্কিম চালু করা হয়।
মাঠ প্রশাসনকে সক্রিয় করা হয়েছে এবং জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বিভাগীয় পর্যায়ে পেনশন মেলা ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তাদেরও যুক্ত করা হচ্ছে।

সুফল:

  • নাগরিকদের বৃদ্ধ বয়সে আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
  • বাংলাদেশকে আরও বেশি কল্যাণমূলক রাষ্ট্রে পরিণত করবে।
  • প্রধানমন্ত্রীর ২০৪১ সালের উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আগামী পদক্ষেপ:

  • সকল নাগরিককে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় আনতে প্রচারণা বৃদ্ধি করা হবে।
  • স্কিমটি আরও টেকসই করার জন্য নীতিমালা ও কর্মসূচি পর্যালোচনা করা হবে।

সর্বজনীন পেনশন স্কিম বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এটি তাদের বৃদ্ধ বয়সে আর্থিক নিরাপত্তা প্রদান করবে এবং দেশকে আরও বেশি কল্যাণমূলক রাষ্ট্রে পরিণত করতে সহায়তা করবে।