শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৭:২০:২১ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস, ৪৬ পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ •       • এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •

বন্যা ও অসাধু ব্যবসায়ীরা মিলে চালের দাম আকাশচুম্বী

বন্যা ও অসাধু ব্যবসায়ীরা মিলে চালের দাম আকাশচুম্বী

ঢাকা প্রেস নিউজ


দেশে চলমান বন্যার কারণে চালের বাজারে প্রচণ্ড ধাক্কা লেগেছে। বিভিন্ন জায়গায় মোটা চালের দাম ১০ দিনের মধ্যে প্রতি ৫০ কেজি বস্তায় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মাত্র এক সপ্তাহ আগে যে বিআর-২৮ চাল ২৬০০ টাকায় মিলছিল, সেটি এখন ২৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, বন্যার কারণে ত্রাণের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় মোটা চালের সরবরাহ কমে গেছে। আবার, অনেকেই ধানের সংকটকেও দাম বাড়ার কারণ হিসেবে দেখছেন। তবে সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিকে দায়ী করছেন। তারা চাল মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে এবং দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে।

 

মোটা চালের মতোই আতপ চালের দামও অনেক বেড়েছে। ইরি আতপ, বেথি এবং কাটারীর দাম প্রতি কেজি ১০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

 

চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকায় চালের দাম আরও বেশি বেড়েছে। এখানকার ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বন্যার কারণে আড়তগুলোতে চালের আনাগোনা কমে গেছে এবং অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে।

 

চালের দাম বাড়ার এই পরিস্থিতিতে সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে এলসি খুলে রাখা যেতে পারে। এতে করে দেশে চালের সংকট দেখা দিলে বা দাম বেড়ে গেলে বাইরে থেকে সহজেই চাল আমদানি করা যাবে। পাশাপাশি বাজার মনিটরিং বাড়াতে হবে। তা না হলে চালের বাজার আরও বেশি অস্থির হয়ে পড়তে পারে।