বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১১:৩০:০৯ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

চালুর ২৩ ঘণ্টার মধ্যেই ফের বন্ধ বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

চালুর ২৩ ঘণ্টার মধ্যেই ফের বন্ধ বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পুনরায় চালু হওয়ার মাত্র ২৩ ঘণ্টার মাথায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আবারও বন্ধ হয়ে গেছে। 

 

শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ২৭ মিনিটে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় ইউনিটটি সচল হয়েছিল।

 

তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক যান্ত্রিক ত্রুটির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বয়লারের টিউব ফেটে যাওয়ার কারণে উৎপাদন বন্ধ করতে হয়েছে। বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত ১ নম্বর ইউনিট থেকে উৎপাদিত ৬০ থেকে ৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল।

 

প্রকৌশলী আরও উল্লেখ করেন, কেন্দ্রটির নির্মাণকাল থেকেই বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ সমস্যা রয়েছে, যার কারণে মাঝেমধ্যেই ইউনিটগুলো সচল করার পর আবার বন্ধ হয়ে যায়। এদিকে কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম জানান, কোল ইয়ার্ড সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ উত্তোলিত কয়লা বিকল্প স্থানে সংরক্ষণের পরিকল্পনা করছে।

 

উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কয়লা ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে ২০০৬ সালে ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই কেন্দ্রটি যাত্রা শুরু করে। শুরুতে ১২৫ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট থাকলেও ২০১৭ সালে ২৭৫ মেগাওয়াটের আরও একটি ইউনিট যুক্ত করা হয়। তবে যান্ত্রিক গোলযোগ ও কয়লা সংকটের কারণে কেন্দ্রটি কখনোই পূর্ণ সক্ষমতায় নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারেনি।