বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৫:৩০:১০ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তর হচ্ছে আহমদ ছফার কবর

বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তর হচ্ছে আহমদ ছফার কবর

আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রভাবশালী এবং প্রথাবিরোধী লেখক ও বুদ্ধিজীবী আহমদ ছফার কবর মিরপুরের সাধারণ কবরস্থান থেকে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। 

 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ১৪ তম করপোরেশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জোবায়ের হোসেন।

 

জানা গেছে, চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি আহমদ ছফার পরিবারের পক্ষে তাঁর ভাইয়ের ছেলে নূরুল আনোয়ার লেখকের কবর স্থানান্তরের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেন। এতে বলা হয়, বাংলাদেশের শিল্প, সাহিত্য, রাজনীতি ও সমাজসেবার প্রতিটি ক্ষেত্রে আহমদ ছফার অসামান্য অবদান থাকলেও তাঁকে এ পর্যন্ত যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। তাই তাঁকে উপযুক্ত সম্মান প্রদর্শনের লক্ষ্যে বর্তমানের সাধারণ কবরস্থান থেকে সরিয়ে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে যথাযোগ্য মর্যাদায় সমাহিত করা প্রয়োজন।

 

আহমদ ছফার কবর স্থানান্তর বিষয়ে গত ১৩ এপ্রিল ডিএনসিসির সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়। তাঁর কবর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তরের বিষয়ে একমত পোষণ করেন করপোরেশনের সদস্যরা।

 

এ প্রসঙ্গে নুরুল আনোয়ার গণমাধ্যমকে বলেন, আহমদ ছফার মহাপ্রয়াণের পর আমাদের প্রাণের দাবি ছিল তাঁকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা, কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। ওই কবরটি তো নির্ধারিত সময়ের পর ভেঙে দেওয়া হবে। এ জন্য আমরা চেয়েছি তাঁর কবরটি যেন বুদ্ধিজীবীদের যে অংশটি আছে, সেখানে স্থানান্তর করা হয়। আহমদ ছফার কবরটি যেন স্থায়ীভাবে রাখা হয়, এ জন্যই আবেদনটি করা হয়।

 

তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এ প্রক্রিয়াটি শুরু হয়েছিল। বর্তমান সরকারের কাছে আবেদনটি উত্থাপন করার পরে অনুমোদন দেওয়া হয়। মূলত আহমদ ছফার মতো একজন ব্যক্তিত্বকে তাঁর প্রাপ্য মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়াই ছিল আমাদের আবেদনের মূল লক্ষ্য।