মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১০:০৮:২২ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

শুধু পদ্মা ব্যারাজ নয়, তিস্তা প্রকল্পেও হাত দেবে সরকার

শুধু পদ্মা ব্যারাজ নয়, তিস্তা প্রকল্পেও হাত দেবে সরকার

দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন ও পানির সংকট দূর করতে আগামীতে পদ্মা ও তিস্তা নদীতে ব্যারাজ নির্মাণ প্রকল্পে বিএনপি সরকার হাত দেবে বলে ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

বুধবার বিকেলে গাজীপুরের টঙ্গী সাতাইশ এলাকায় ‘জাতীয় দুর্যোগ ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট’ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। এর আগে দুপুর ২টায় তিনি এই ইনস্টিটিউটের ফলক উন্মোচন করেন এবং সেখানে তালগাছ রোপণসহ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।

 

নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সরকার গঠন করেই দেশজুড়ে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছি। কারণ এই কর্মসূচির সাথে মানুষের জীবন, কৃষি এবং ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিষয়গুলো ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

 

তিনি পরিবেশ সুরক্ষার একটি উদাহরণ টেনে বলেন, কক্সবাজারে সমুদ্র সৈকত ঘেঁষে রাস্তা নির্মাণের সময় ৩ শতাধিক গাছ কাটার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। বিষয়টি জানার পরপরই আমি নকশা পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছি, যাতে গাছগুলো রক্ষা পায়।

 

ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমানোর তাগিদ দিয়ে তারেক রহমান বলেন, গত ২০ বছরে মাটির তলদেশ থেকে যে পরিমাণ পানি তোলা হয়েছে, তা কেবল বর্ষাকালের পানি খালের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে পূরণ করতেও আরও ২০ বছর সময় লাগবে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে আমাদের খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে, কিন্তু ভূগর্ভস্থ পানি অতিরিক্ত তোলা আমাদের জন্য বিপজ্জনক হবে। এটিও এক ধরনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, তাই আমাদের খাল খনন করতেই হবে।

 

সীমান্তের ওপারে বাঁধ নির্মাণের কারণে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশ পানি পাচ্ছে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একসময় পদ্মার এপার থেকে ওপার দেখা যেত না পানির কারণে, আর এখন দেখা যায় না ধু-ধু বালুচরের কারণে। ফারাক্কা বাঁধের প্রভাবে পানি কমে যাওয়ায় সমুদ্রের নোনা জল দক্ষিণাঞ্চলে প্রবেশ করছে, যা সুন্দরবনসহ ফসলি জমি ও জীববৈচিত্র্যের মারাত্মক ক্ষতি করছে। এই সংকট মোকাবিলায় বর্ষার পানি ধরে রেখে শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহারের জন্য পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ করা হবে।

 

একই সাথে বড় বড় কথা বলা সমালোচকদের জবাব দিয়ে তিনি স্পষ্ট করেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রীর নেতৃত্বে এই বিএনপি সরকারই তিস্তাপাড়ের মানুষের জন্য কর্মসূচি পালন করেছে, যা অন্য কেউ করেনি। তাই তিস্তা ব্যারাজও এই সরকারই বাস্তবায়ন করবে।

 

সবশেষে তিনি বলেন, যেহেতু প্রাকৃতিক দুর্যোগকে পুরোপুরি থামানো সম্ভব নয়, সেহেতু আমাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একে সঠিকভাবে মোকাবিলা করা।