বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৯:০০:৩৬ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহায়তা চাইল বাংলাদেশ

তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহায়তা চাইল বাংলাদেশ

চীনের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সহায়তায় তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। বুধবার বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এ অনুরোধ জানান চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এর কাছে।

চীনের আমন্ত্রণে ৫ থেকে ৭ মে পর্যন্ত তিন দিনের সরকারি সফরে বর্তমানে বেইজিংয়ে অবস্থান করছেন ড. খলিলুর রহমান। সফরের দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে একটি যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ আবারও ‘এক চীন নীতি’র প্রতি তার দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেছে। ঢাকা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের রেজুলেশন ২৭৫৮-এর কর্তৃত্ব অখণ্ড এবং তাইওয়ান চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একইসঙ্গে বাংলাদেশ ‘তাইওয়ানের স্বাধীনতা’ সংক্রান্ত যেকোনো উদ্যোগের বিরোধিতা করে এবং চীনের জাতীয় পুনঃএকত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় সমর্থন জানায়।

এর বিপরীতে, চীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সমর্থন অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং দেশের নিজস্ব উন্নয়নপথের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

বৈঠকে উন্নয়ন সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা হয়। উভয় দেশ বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগ, ডিজিটাল অর্থনীতি, শিল্পায়ন এবং পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে একমত হয়েছে।

রোহিঙ্গা সংকটও আলোচনায় গুরুত্ব পায়। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে চীন তাদের সর্বোচ্চ সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা ও নেপিদোর মধ্যে সংলাপ অব্যাহত রাখতে মধ্যস্থতার ভূমিকাও পালন করবে বলে জানিয়েছে বেইজিং।

আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রস্তাবের প্রশংসা করে বাংলাদেশ। গাজাসহ সংঘাতপূর্ণ এলাকায় দ্রুত পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

এছাড়া অসামরিক স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হরমুজ প্রণালিতে নির্বিঘ্ন নৌচলাচল বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সফর শেষে চীনের উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ড. খলিলুর রহমান এবং সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের জন্য ওয়াং ই-কে আমন্ত্রণ জানান।