মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৯:৩০:০১ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •       • চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান •       • নরসিংদীতে বাসার গ্রিল কেটে ৫০ লাখ টাকা ও ৮ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি •       • কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি টুটুল গ্রেপ্তার •       • মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন ঘটনা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার: ধর্মমন্ত্রী •       • বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর অনশন •       • মাদারগঞ্জে গাছে মরিচ আসতেই অজানা মড়ক: লোকসানের মুখে কৃষকরা, দেখা মেলেনি কৃষি কর্মকর্তার •       • মুরাদনগরে সাবেক মেম্বারের বসতঘরে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ, ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি •       • রাজধানীতে বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৩৪, মামলা ৩৭ •       • মুরাদনগরে ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি হোসেন গ্রেফতার •

সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনের দাবিতে ফের সড়ক অবরোধ

সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনের দাবিতে ফের সড়ক অবরোধ

ঢাকা প্রেস নিউজ

 

রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালের সামনে ফের সড়ক অবরোধ করেছেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহতরা। সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়ে তারা শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সড়কে অবস্থান নেন। এতে আগারগাঁও থেকে শিশুমেলা লিংক রোড পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
 

সরেজমিনে দেখা যায়, পঙ্গু হাসপাতাল, নিউ সায়েন্স ও চক্ষু বিজ্ঞান হাসপাতালসহ আশপাশের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শতাধিক আহত ব্যক্তি সড়কে নেমে বিক্ষোভ করেন। কেউ শুয়ে, কেউ স্ট্রেচারে ভর করে, আবার কেউ দাঁড়িয়ে নানা রকম স্লোগান দেন। তারা "দালালি না বিপ্লব, বিপ্লব বিপ্লব", "দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ", "আস্থা নাই রে আস্থা নাই"—এমন নানা স্লোগানে আন্দোলন চালিয়ে যান।
 

আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভের ফলে আগারগাঁওগামী ও শিশুমেলা মোড় অভিমুখী যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, ফলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
 

এক আন্দোলনকারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমরা শেখ হাসিনার পতনের আন্দোলনে আহত হয়েছি। টাকা-পয়সা চাই না, শুধু সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসন চাই। শেখ হাসিনার পতনের পরও যে সরকার আমাদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে পারেনি, তাদের প্রতি আমাদের কোনো আস্থা নেই।"
 

আন্দোলনের নেতা কোরবান শেখ হিল্লোল জানান, "আজ বিদেশি ডাক্তাররা আমাদের পরীক্ষা করেছেন এবং জানিয়েছেন, যাদের বিদেশে পাঠানো হয়েছে, তাদের ও আমাদের শারীরিক অবস্থা একই। আমরা বিষয়টি ছাত্র প্রতিনিধিদের জানিয়েছি, কিন্তু তারা গুরুত্ব দেয়নি। তাই বাধ্য হয়ে আমরা আবার পথে নেমেছি। আমাদের ভালো চিকিৎসার প্রয়োজন, অথচ কেউ আমাদের কথা শুনছে না।"