বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৫:৩২:৪৬ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি সরকারের

অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি সরকারের

অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে বলে জানিয়েছেন শামা ওবায়েদ ইসলাম। এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমে জড়িত অসাধু চক্রগুলোকে আইনের আওতায় আনার ব্যাপারে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

 

সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ‘অভিবাসন ও চলাচল : বাংলাদেশের পরিস্থিতি’ শীর্ষক এক বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

 

বাংলাদেশ-লিবিয়া-ইতালি রুটে অনিয়মিত অভিবাসীদের ঝুঁকিপূর্ণ ভূমধ্যসাগরীয় পথে সাম্প্রতিক বাংলাদেশিদের মৃত্যুর ঘটনাকে প্রেক্ষাপট হিসেবে নিয়ে এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

 

বৈঠকে পররাষ্ট্র সচিব, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বাংলাদেশে ইতালির রাষ্ট্রদূত, লিবিয়ার ভারপ্রাপ্ত মিশন প্রধান (সিডিএ-এআই) এবং ঢাকায় আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) মিশনের প্রধান উপস্থিত ছিলেন এবং আলোচনায় অংশ নেন।

 

বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০২৬ সালের জুনে আশ্রয় ও অভিবাসন বিষয়ে নতুন একটি বিধিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে। এতে অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ মর্যাদা পাওয়ার আশ্রয় প্রক্রিয়া আরও কঠোর করা হবে।

 

সভায় দক্ষতা উন্নয়ন, ভাষাজ্ঞান বৃদ্ধি এবং নিয়মিত অভিবাসনের পথকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার মাধ্যমে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসনের সুযোগ সম্প্রসারণের বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।

 

নিয়মিত অভিবাসন ব্যবস্থা আরও কার্যকরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে গন্তব্য দেশগুলোর নিয়োগদাতাদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কর্মসংস্থান নিশ্চিত অভিবাসন কাঠামো গড়ে তোলা এবং দক্ষতা প্রশিক্ষণের সঙ্গে কর্মসংস্থানের সংযোগ স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

 

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ ভিশনকে ধারণ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রবাসীরা রেমিট্যান্স, বিনিয়োগ, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী ধারণার মাধ্যমে তারেক রহমানের কল্পিত উন্নয়ন অভিযাত্রায় বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

 

অবৈধ অভিবাসন রোধ, নিয়মিত অভিবাসন প্রসার এবং পুরো অভিবাসন প্রক্রিয়ায় মানবিক, নিয়মতান্ত্রিক ও অধিকারভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখতে সব অংশীদার পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে একযোগে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে বৈঠক শেষ হয়।