সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৬:০০:২১ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

সকালের নাশতায় ফলের রস নাকি স্মুদি—কোনটি বেশি উপকারী?

সকালের নাশতায় ফলের রস নাকি স্মুদি—কোনটি বেশি উপকারী?

অনলাইন ডেস্ক:-

 

ব্যস্ত জীবনে সময় বাঁচাতে অনেকেই সকালের নাশতা এড়িয়ে যান। তবে এই অভ্যাস শরীরের জন্য মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। অনেকেই সহজ সমাধান হিসেবে বেছে নেন ফলের রস কিংবা স্মুদি। কিন্তু প্রশ্ন হলো—সকালের নাশতায় কোনটি বেশি উপকারী?
 

ফলের রস: আদৌ কি স্বাস্থ্যকর?

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, কমলালেবু বা আপেলের রস প্রদাহ কমাতে এবং হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এতে থাকে ভিটামিন ও মিনারেল। তবে চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদরা সকালের নাশতায় ফলের রস খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন।
 

ভারতীয় পুষ্টিবিদ শ্রেয়সী ভৌমিকের মতে, “ফলের রস থেকে ফাইবার বের হয়ে যায়। এতে মূলত কিছু মিনারেল আর ‘ফ্রি সুগার’ বা ফ্রুক্টোজ় থেকে যায়, যা শরীরের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর হতে পারে।”
 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, প্রতিদিনের মোট ক্যালোরির ১০ শতাংশের কম ‘ফ্রি সুগার’ গ্রহণ করা উচিত। অথচ মাত্র ১৫০ মিলি ফলের রসেই প্রায় ১৪ গ্রাম চিনি থাকে। নিয়মিত এমন রস খেলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
 

পুষ্টিবিদ ঈশানী গঙ্গোপাধ্যায় আরও বলেন, “বাজারে পাওয়া প্যাকেটজাত ফলের রসে ফলের গুণ অনেক কম, বরং চিনির পরিমাণ বেশি। এগুলো শরীরের জন্য আরও বিপজ্জনক।”
 

তাদের মতে, সকালের নাশতা বা মিড স্ন্যাকস হিসেবে ফলের রস আদর্শ নয়। বরং গোটা ফল খাওয়া অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। তবে যাদের চিবিয়ে খেতে সমস্যা হয়, তারা মাঝেমধ্যে ফলের রস খেতে পারেন, কিন্তু প্রতিদিন নয়।
 

স্মুদি: আরও পুষ্টিকর বিকল্প

স্মুদি তৈরিতে সাধারণত দই, দুধ, বাদাম, বীজ, ওটস, ফল ও কখনো শাকসবজিও ব্যবহার করা হয়। এতে প্রাকৃতিকভাবে ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেল পাওয়া যায়।
 

পুষ্টিবিদ শ্রেয়সী বলেন, “ফলের তুলনায় স্মুদি অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। দিনে শুরুতে এক গ্লাস স্মুদি দেহে প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতে পারে।” স্মুদিতে যদি মৌসুমি ফল যোগ করা হয়, তা আরও বেশি উপকারী হয়ে ওঠে।

 

সকালের নাশতায় চটজলদি শক্তি ও পুষ্টি পেতে ফলের রস নয়, স্মুদি-ই বেশি ভালো বিকল্প। তবে সবচেয়ে উপকারী হলো গোটা ফল খাওয়া—যেখানে প্রকৃত পুষ্টি ও ফাইবার দুটোই বজায় থাকে। তাই স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন হতে হলে বেছে নিন বুদ্ধিমানের মতো।