সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৬:৪৫:১০ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমাদের করণীয়

স্বাস্থ্যসম্মত  পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমাদের করণীয়

পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং স্বাস্থ্যকর রাখা মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। প্রত্যেক মানুষের উচিৎ যে তার আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা না ফেলা। কেননা একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশে মানুষেরা সুস্থভাবে বাঁচতে সক্ষম হয়। পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে আমাদের সকলের কিছু কর্তব্য পালন করা উচিত। নীচে কিছু করণীয়  তালিকাভুক্ত করা হলো:

ব্যক্তিগত পর্যায়ে

ব্যক্তিগত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রতি যত্নবান হওয়া।বাসস্থান ও আশেপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা।রাস্তায় ময়লা-আবর্জনা ফেলা থেকে বিরত থাকা।পানি ব্যবহারে সাবধানতা অবলম্বন করা।যানবাহনের ব্যবহার কমিয়ে দেওয়া, যানবাহনের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা।যানবাহন চালানোর সময় ধোঁয়া ও শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা।সাইকেল, রিকশা, পাবলিক পরিবহন ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তোলা।প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে দেওয়া।প্লাস্টিকের বিকল্প ব্যবহার করা।রিসাইকেলযোগ্য পণ্য ব্যবহার করা।ই-বর্জ্য নিয়মিতভাবে রিসাইক্লিং করা।পরিমিত খাবার গ্রহণ করা।খাদ্য অপচয় রোধ করা।স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত খাদ্য গ্রহণ করা।জৈব সার ব্যবহার করা।

সামাজিক পর্যায়ে

পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচারণা চালানো।পরিবেশ শিক্ষা বিষয়ক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা।পরিবেশবান্ধব আচরণে উৎসাহিত করা।বৃক্ষরোপণ অভিযানে অংশগ্রহণ করা।বাসস্থান ও আশেপাশে গাছপালা লাগানো।পরিবেশবান্ধব পণ্যের ব্যবহারে উৎসাহিত করা।পরিবেশবান্ধব প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমর্থন করা।পরিবেশ আইন সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা।পরিবেশ আইন মেনে চলা ও অন্যদেরও মেনে চলার জন্য উৎসাহিত করা।পরিবেশ সংগঠনের সাথে যোগাযোগ ও সহযোগিতা করা।পরিবেশ রক্ষায় তাদের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করা।পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত রাখা আমাদের সকলের দায়িত্ব। আমরা সকলেই যদি একসাথে কাজ করি, তাহলে আমরা আমাদের পৃথিবীকে আরও বাসযোগ্য করে তুলতে পারব।