সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৯:০৮:৩৩ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

বগুড়া-৬ আসন ছাড়লেন তারেক রহমান

বগুড়া-৬ আসন ছাড়লেন তারেক রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬—এই দুই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে উভয় আসনেই জয়লাভ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তবে আইন অনুযায়ী একাধিক আসনে নির্বাচিত হলেও একজন সংসদ সদস্য কেবল একটি আসনই রাখতে পারেন। সে অনুযায়ী বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিয়ে ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
 

এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে বগুড়া-৬ আসন ত্যাগ সংক্রান্ত একটি লিখিত চিঠি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন–এ পাঠিয়েছেন তারেক রহমান। চিঠি পাওয়ার পর আসনটি শূন্য ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন।
 

সোমবার নির্বাচন কমিশন সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, বগুড়া-৬ আসন ছাড়ার বিষয়ে তারেক রহমানের চিঠি পাওয়া গেছে। তবে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ এখনো হয়নি।
 

আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি একই নির্বাচনে একাধিক আসনে নির্বাচিত হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একটি আসন রেখে বাকি আসন বা আসনগুলো লিখিতভাবে ছেড়ে দিতে হয়। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)–এর ধারা ১৯(১)(খ) অনুযায়ী একজন ব্যক্তি একই সাধারণ নির্বাচনে একাধিক আসন থেকে প্রার্থী ও নির্বাচিত হতে পারেন। তবে ধারা ১৯(২) অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের পর ৩০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে—তিনি কোন একটি আসন রাখতে চান।
 

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানানো না হলে নির্বাচন কমিশন আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে এবং অবশিষ্ট আসন বা আসনগুলো শূন্য ঘোষণা করা হবে।