মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১০:০৯:২৭ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

খাগড়াছড়িতে কৃষক পর্যায়ে এলএসটিডি বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ

খাগড়াছড়িতে কৃষক পর্যায়ে এলএসটিডি বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

 

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার পাইলটপাড়া প্রযুক্তি গ্রামে কৃষকদের মাঝে এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (২০ মে) ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, খাগড়াছড়ির উদ্যোগে বোরো মৌসুমের বীজ সংরক্ষণের জন্য ২০টি এলএসটিডি বীজ সংরক্ষণ পাত্র কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়।
 

খাগড়াছড়িতে কৃষক পর্যায়ে এলএসটিডি বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ


 

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, খাগড়াছড়ির প্রধান ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মো. জাহিদুল ইসলাম ও ড. মো. আবুবকর সিদ্দিক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মীর ওবায়দুর রহমান শাওন।

ব্রি উদ্ভাবিত আধুনিক উচ্চফলনশীল ধানের বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণে কৃষকদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এর আগে কৃষকদের মাঝে ব্রি ধান-১০০, ১০২, ১০৪, ১০৮ ও ব্রি ধান-১১৪ জাতের বীজের পাশাপাশি সার, কীটনাশক, ছত্রাকনাশক এবং সাইনবোর্ড বিতরণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে উৎপাদিত মানসম্পন্ন বীজ সংরক্ষণের জন্য এলএসটিডি প্রকল্পের অর্থায়নে এসব সংরক্ষণ পাত্র প্রদান করা হয়।


 

খাগড়াছড়িতে কৃষক পর্যায়ে এলএসটিডি বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ — ছবি ২


 

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. সিরাজুল ইসলাম কৃষকদের সঠিক নিয়মে বীজ সংরক্ষণের কৌশল সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেন। তিনি উন্নতমানের বীজ নির্বাচন ও সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, কৃষকদের নিজেদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি স্থানীয় অন্যান্য কৃষকদের জন্যও মানসম্পন্ন বীজ সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।

স্থানীয় কৃষকেরা বীজ সংরক্ষণ পাত্র পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে সঠিকভাবে বীজ সংরক্ষণ ও ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি দেন।

আয়োজকরা জানান, এর আগে আমন মৌসুমেও এই প্রযুক্তি গ্রামে ১০টি বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ করা হয়েছিল। ভবিষ্যতেও এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি বর্তমানে আউশ মৌসুমে ওই প্রযুক্তি গ্রামে ১৫ জাতের ধানের রাইস গার্ডেন স্থাপন এবং ১৫ একর জমিতে প্রায়োগিক পরীক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।