নতুন চুলে পুরোপুরি ভিন্ন এক লুকে নিজেকে হাজির করতে কার না ভালো লাগে? তাই চুল রং করা বর্তমান সময়ের নতুন এক ট্রেন্ড। শখের বশে অনেকেই চুলে নতুন রঙের ছোঁয়া লাগান। কিন্তু নতুন লুকের পেছনে লুকিয়ে থাকে নতুন শঙ্কাও। চুলে রং করার প্রভাব চুলের স্বাস্থ্যের ওপরও পড়ে। চুলে রং করার আগে রঙের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জেনে নিই।
চুলে রং করানোর উপায়
স্থায়ী রং: এ ধরনের রঙে অ্যামোনিয়ার ব্যবহার করা হয়, যা চুলের পিএইচ মাত্রার ওপর প্রভাব ফেলে। এ ছাড়া রং ধরে রাখতে প্রতি ১২ সপ্তাহ অন্তর চুলে নতুন করে লাগানোর প্রয়োজন পড়ে।
অস্থায়ী রং: এ ধরনের রং চুলের বহিঃস্তরে কোনো প্রভাব ফেলে না। তবে কয়েক সপ্তাহ পরপর রং ধরে রাখতে অন্তত টাচআপের প্রয়োজন হয়।
ব্লিচ: চুলের গাঢ় রং হালকা করার জন্য ব্লিচ করা হয়। কালো চুলে নীল, লাল রং করার আগে ব্লিচ করে নেওয়া হয়।
অ্যামোনিয়ামুক্ত রং: এ ধরনের রংকে ডেমি-পার্মানেন্ট হেয়ার কালারও বলে। এতে অ্যামোনিয়া থাকে না, কিন্তু হাইড্রোজেন পার–অক্সাইড থাকে। চুল নরম করতে ব্যবহার করা হয় এই রং।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া







