বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১২:০০:৫৪ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

শৈলকুপায় সওজের উচ্ছেদ অভিযান, ক্ষতিপূরণ না পাওয়ার অভিযোগ

শৈলকুপায় সওজের উচ্ছেদ অভিযান, ক্ষতিপূরণ না পাওয়ার অভিযোগ

শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি:

 

ঝিনাইদহের শৈলকুপা-লাঙ্গলবাঁধ সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের আওতায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে উপজেলার পাঠানপাড়া, হেতামপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২১টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
 

সওজ বিভাগের খুলনা জোনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও এস্টেট অ্যান্ড ল’ কর্মকর্তা পিজুস চন্দ্র দের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় ক্ষতিগ্রস্তরা অভিযোগ করেন, জমি ও স্থাপনার ক্ষতিপূরণের অর্থ পরিশোধ না করেই উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হয়েছে।
 

পাঠানপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সড়ক বিভাগের চাহিদা অনুযায়ী সব কাগজপত্র জমা দেওয়া হলেও এখনো জমি ও স্থাপনার কোনো মূল্য পরিশোধ করা হয়নি। এর মধ্যেই উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়েছে।
 

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পিজুস চন্দ্র দে বলেন, জমি অধিগ্রহণের সব নিয়ম মেনেই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সরকারি কোনো জটিলতা নেই। ওয়ারিশদের মধ্যে বিরোধ থাকায় ক্ষতিপূরণের অর্থ বিতরণে বিলম্ব হচ্ছে। ওয়ারিশরা সমঝোতায় পৌঁছালে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে দ্রুত অর্থ পরিশোধ করা হবে বলে জানান তিনি।
 

অভিযান চলাকালে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান, শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জিয়াউদ্দিন, সহকারী প্রকৌশলী আহসান উল কবির, মেজর মোস্তফা, উপ-সহকারী প্রকৌশলী হাসান আল মামুন এবং শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির মোল্লাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
 

পরে উচ্ছেদ করা স্থাপনাগুলোর মালামাল উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। এতে সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে ৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকায় মালামাল বিক্রি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।