মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৩:১২:০৭ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •       • চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান •       • নরসিংদীতে বাসার গ্রিল কেটে ৫০ লাখ টাকা ও ৮ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি •       • কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি টুটুল গ্রেপ্তার •       • মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন ঘটনা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার: ধর্মমন্ত্রী •       • বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর অনশন •       • মাদারগঞ্জে গাছে মরিচ আসতেই অজানা মড়ক: লোকসানের মুখে কৃষকরা, দেখা মেলেনি কৃষি কর্মকর্তার •       • মুরাদনগরে সাবেক মেম্বারের বসতঘরে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ, ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি •       • রাজধানীতে বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৩৪, মামলা ৩৭ •       • মুরাদনগরে ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি হোসেন গ্রেফতার •

দেশের প্রথম সেনাপ্রধান কে এম সফিউল্লাহ আর নেই

দেশের প্রথম সেনাপ্রধান কে এম সফিউল্লাহ আর নেই

ঢাকা প্রেস নিউজ

 

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) কে এম সফিউল্লাহ বীর উত্তম আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।
 

রোববার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার ব্যক্তিগত সহকারী জিয়ার রহমান মনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কে এম সফিউল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, থাইরয়েডের জটিলতা, ফ্যাটি লিভার, ডিমেনশিয়াসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছিলেন।

 

১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন কে এম সফিউল্লাহ। ১৯৭১ সালে তিনি জয়দেবপুরে দ্বিতীয় ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের দ্বিতীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। তার নেতৃত্বেই ওই রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যরা পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে তিনি ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।
 

পরবর্তীতে তিনটি নিয়মিত আর্মি ব্রিগেড গঠিত হলে, তার নেতৃত্বে একটির নামকরণ হয় ‘এস’ ফোর্স। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ উপাধিতে ভূষিত হন।

 

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কে এম সফিউল্লাহ ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর পরে তিনি মালয়েশিয়া, কানাডা, সুইডেন ও ইংল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেন।
 

১৯৯১ সালে দেশে ফিরে তিনি এক বছর ওএসডি (অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি) ছিলেন। পরের বছর তিনি স্বেচ্ছায় অবসরে যান।
 

রণাঙ্গনের এই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে জাতি হারাল এক অনন্য গৌরবময় ব্যক্তিত্ব।