মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬ এ ০৫:৪৬:২৫ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• রাশেদ খানকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির •       • রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস, ৪৬ পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ •       • এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •

রংপুর ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও: বীরত্বের এক অমর স্মৃতি

রংপুর ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও: বীরত্বের এক অমর স্মৃতি

রংপুর ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও: বীরত্বের এক অমর স্মৃতি ১৯৭১ সালের ২৮ মার্চ, রংপুরের ইতিহাসে এক অসাধারণ দিন। মুক্তিযুদ্ধের মাত্র দুই দিন পর, খালি হাতে, তীর-ধনুক, দা-বল্লম নিয়ে রংপুরের বীর সন্তানরা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ঘাঁটি রংপুর ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও করে। এই ঘটনা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অনন্য। নিরস্ত্র জনগণের এই সাহসিক পদক্ষেপ পাকিস্তানি বাহিনীকে হতবাক করে।

 

২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের পর রংপুরে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। ২৭ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী রংপুর শহরে নিরীহ বাঙালিদের উপর হামলা চালায়। ২৮ মার্চ সকাল থেকে রংপুরের বিভিন্ন এলাকার মানুষ সংগঠিত হয়ে ক্যান্টনমেন্টের আশেপাশে জড়ো হয়। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ: ওঁরাও, সাঁওতাল আদিবাসীরা তীর-ধনুক নিয়ে যোগ দেয়। সম্মুখ যুদ্ধ: নিরস্ত্র জনগণ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে। পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতা: গুলি বর্ষণ করে অসংখ্য নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করে। আহতদের জীবন্ত পুড়িয়ে ফেলে। এই ঘটনায় শত শত মানুষ শহীদ ও আহত হয়। তাদের পরিবার আজও সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত। রংপুরের মানুষের অদম্য সাহস ও বীরত্বের প্রতীক।

 

মুক্তিযুদ্ধে জনগণের অংশগ্রহণের নিদর্শন। পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার স্মারক। রংপুর ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও দিবসকে জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানানো হচ্ছে। শহীদ ও আহতদের পরিবারের জন্য সরকারি সহায়তার দাবি করা হচ্ছে। রংপুর ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও দিবস রংপুরের মানুষের বীরত্বের এক অমর স্মৃতি। এই দিনটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় স্বাধীনতার জন্য কত মূল্য चुকাতে হয়েছে। এই দিনটির গুরুত্ব সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ধারণ করে স্বাধীনতার মূল্যবোধ রক্ষা করতে হবে।