মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৭:৪৬:২৩ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• পটিয়ায় আবারও অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পুলিশ হেফাজতে •       • চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান •       • নরসিংদীতে বাসার গ্রিল কেটে ৫০ লাখ টাকা ও ৮ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি •       • কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি টুটুল গ্রেপ্তার •       • মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন ঘটনা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার: ধর্মমন্ত্রী •       • বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর অনশন •       • মাদারগঞ্জে গাছে মরিচ আসতেই অজানা মড়ক: লোকসানের মুখে কৃষকরা, দেখা মেলেনি কৃষি কর্মকর্তার •       • মুরাদনগরে সাবেক মেম্বারের বসতঘরে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ, ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি •       • রাজধানীতে বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৩৪, মামলা ৩৭ •       • মুরাদনগরে ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি হোসেন গ্রেফতার •

হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার হলেন সাবেক এমপি অধ্যাপক ডা. আব্দুল আজিজ

হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার হলেন সাবেক এমপি অধ্যাপক ডা. আব্দুল আজিজ

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:-

 

সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. আব্দুল আজিজকে রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত পদ্মা জেনারেল হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১২। সোমবার রাতে তাকে আটক করা হয়।
 

র‍্যাব-২ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার খান আসিফ তপু জানিয়েছেন, সিরাজগঞ্জে একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। এছাড়া, র‍্যাবের একটি সূত্র জানায়, তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
 

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রাত ১১টার দিকে প্রথমে সাদা পোশাকধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা হাসপাতাল ঘিরে ফেলে। এরপর ১০ মিনিটের মধ্যে র‍্যাবের ইউনিফর্ম পরা সদস্যরা এসে অধ্যাপক আব্দুল আজিজকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।
 

এর আগে, ২০২৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তাড়াশ থানায় তার বিরুদ্ধে একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন বারুহাস ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান আসাদ।
 

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির প্রার্থী আব্দুল মান্নান তালুকদার বিনোদপুর বাজারে একটি নির্বাচনী পথসভা করার সময়, আওয়ামী লীগের প্রার্থী অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আজিজের প্রত্যক্ষ নির্দেশে তার সমর্থকরা হামলা চালান। ওই হামলায় বিএনপির প্রচারণার গাড়িবহর ভাঙচুর, ককটেল বিস্ফোরণ এবং শতাধিক বিএনপি নেতাকর্মী আহত হন।
 

এ ঘটনায় অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আজিজসহ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ৯৯ জন নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়। এছাড়া, আরও ৩০০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকেও মামলার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
 

গ্রেপ্তারের পর অধ্যাপক ডা. আজিজকে র‍্যাবের হেফাজতে রাখা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।