ঢাকা প্রেসঃ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৪তম জন্মদিন উদযাপন করা হয়েছে। বুধবার সকালে জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর স্মরণ করা হয় সদ্যপ্রয়াত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সাদী মহম্মদকে।

আলোচনা সভা:
- প্রতিপাদ্য: সোনার বাংলার স্বপ্ন ও বাস্তবতা: রবীন্দ্রনাথ থেকে বঙ্গবন্ধু
- প্রধান অতিथि: স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী
- স্বাগত বক্তা: শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকি, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. শাহ আজম, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ
- স্মারক বক্তা: সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার
- সভাপতি: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান:
- সমবেত সংগীত: হে নূতন দেখা দিল আর বার (রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়)
- কবিতা আবৃত্তি: ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়
- সমবেত সংগীত: ও আমার দেশের মাটি (রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়)
- নৃত্যনাট্য: বাংলাদেশ শিশু একাডেমির শিল্পীরা
- গান ও কবিতা: সামিউল ইসলাম পুলক ও মাহনাজ করিম হোসেন
- একক সংগীত: বরেণ্য শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা
- নৃত্যালেখ্য: রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু (বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যদল)
অন্যান্য অনুষ্ঠান:
- জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত প্রতিযোগিতা: শিল্পকলার সংগীত ও নৃত্যকলা ভবনে
- রবীন্দ্র উৎসব: ছায়ানট মিলনায়তনে (দুই দিনব্যাপী)
- আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান: কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি প্রাঙ্গণে (দুই দিনব্যাপী)
- স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধুর দর্শনের কেন্দ্রে ছিল বাঙালি জাতিসত্তা, আত্মপরিচয় এবং আত্মমর্যাদা।
- বিশ্বময় সংস্কৃতিচর্চার প্রত্যয়ে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপ।







