মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬ এ ০৩:১০:১০ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• রাশেদ খানকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির •       • রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস, ৪৬ পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ •       • এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •

পরিশোধ ও নিষ্পত্তি ব্যবস্থা বিল–২০২৪

পরিশোধ ও নিষ্পত্তি ব্যবস্থা বিল–২০২৪

গ্রাহক স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে ব্যাংকের পাশাপাশি অ–ব্যাংক পরিশোধ সেবাদানকারীদের আইনের কাঠামোয় আনতে ‘পরিশোধ ও নিষ্পত্তি ব্যবস্থা বিল–২০২৪’ উঠেছে সংসদে। সোমবার অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর পক্ষে অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান বিলটি সংসদে তোলেন। পরে বিলটি পরীক্ষা করে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদেন দেওয়ার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

ব্যাংক ও অ-ব্যাংক পরিশোধ সেবাদানকারীদের আইনি কাঠামোর আওতায় আনা,গ্রাহক স্বার্থ রক্ষা করা।
বিষয়সমূহ:

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান পরিশোধ ব্যবস্থা পরিচালনা বা ইলেকট্রনিক মুদ্রায় পরিশোধ সেবা প্রদান করতে পারবে না।
  • অগ্রিম পরিশোধ দলিল ক্রয়-বিক্রয়ের জন্যও বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন প্রয়োজন।
  • জনসাধারণ থেকে বিনিয়োগ, ঋণ, অর্থ সংগ্রহ বা আর্থিক লেনদেনের জন্য অনলাইন বা অফলাইন প্ল্যাটফর্ম পরিচালনার জন্যও বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন প্রয়োজন।
  • আইন লঙ্ঘনের শাস্তি: সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয়ই।
  • এই আইনের অধীনে অপরাধগুলো আমলযোগ্য, অজামিনযোগ্য ও অ-আপসযোগ্য।

বর্তমান অবস্থা:

বিলটি সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে,অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিকে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

 

এই বিলটি গ্রাহকদের জন্য ইতিবাচক বলে মনে করা হচ্ছে কারণ এটি ব্যাংক ও অ-ব্যাংক পরিশোধ সেবাদানকারীদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করবে এবং গ্রাহকদের আর্থিক লেনদেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

বিলটি সম্পর্কে কিছু উদ্বেগও রয়েছে, যেমন:

  • নিয়ন্ত্রণ আরোপের ফলে কি বাজারে প্রতিযোগিতা কমে যাবে?
  • আইন প্রয়োগে কতটা কার্যকর হবে?