শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ১২:০০:০৫ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর অনশন •       • মাদারগঞ্জে গাছে মরিচ আসতেই অজানা মড়ক: লোকসানের মুখে কৃষকরা, দেখা মেলেনি কৃষি কর্মকর্তার •       • মুরাদনগরে সাবেক মেম্বারের বসতঘরে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ, ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি •       • রাজধানীতে বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৩৪, মামলা ৩৭ •       • মুরাদনগরে ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি হোসেন গ্রেফতার •       • আল্লামা হাশেমী শিক্ষা বৃত্তি অর্জন: একই মঞ্চে বাবার গৌরব ও মেয়ের জোড়া সাফল্য •       • চুনারুঘাটে অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলন: চালক আটক, ১ লাখ টাকা জরিমানা •       • কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মর্মান্তিক মৃত্যু, নিখোঁজ ২ •       • শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসবে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে আনসার-ভিডিপি: উপ-মহাপরিচালক ড. সাইফুর রহমান •       • হাতিয়ায় ছাত্রশিবিরের জুলাই শহীদ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন: চ্যাম্পিয়ন তমরুদ্দি হাইস্কুল •

মুরাদনগরে শিশু ধর্ষণের শাস্তি ৬টি জুতার বাড়ি ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা। মাতাব্বরাদের মধ্যে টাকা ভাগাভাগি অভিযোগ

মুরাদনগরে শিশু ধর্ষণের শাস্তি ৬টি জুতার বাড়ি ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা। মাতাব্বরাদের মধ্যে টাকা ভাগাভাগি অভিযোগ

আবুল কালাম আজাদ,কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ-



মুরাদনগরে শিশু ধর্ষণের শাস্তি ৬টি জুতার বাড়ি ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা। মাতাব্বরাদের মধ্যে টাকা ভাগাভাগি অভিযোগ উঠেছে।


বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার কুমিল্লা জেলা মুরাদনগর উপজেলা মুরাদনগর সদর ইউনিয়নের ঘোড়াশাল গ্রামের পশ্চিম পাশে সোনাপুর গ্রামে গত ৫ জানুয়ারি ধর্ষণের শিকার হয় ৬ বছরের এক শিশু। বিষয়টি নিয়ে গ্রামের মাতবররা সালিশ বৈঠকে বসেন। সেখানে শাস্তি হিসেবে অভিযুক্ত বাবুল মিয়াকে ৬টি জুতার বাড়ি এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এই বিচার মানতে চায়নি ভুক্তভোগীর পরিবার। তবুও জরিমানার ৫ হাজার টাকা শিশুটির নানির হাতে জোরপূর্বক ধরিয়ে দেন মাতবররা। সেই সঙ্গে তারা হুমকি দিয়ে বলেন, সালিশের বিচার না মেনে থানায় গেলে বসতভিটা ছাড়তে হবে।


এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিশুটির নানি জানান, ধর্ষণের ঘটনাটি গ্রামের মাতবরদের জানালে
তারা সালিশ বৈঠক ডাকার পরামর্শ দেন। আর মাতবরদের কথা অমান্য করে পুলিশের কাছে অভিযোগ করলে ক্ষতি হতে পারে বলে হুমকি দেওয়া হয়। এই ভয়ে ঘটনার ১৫ দিন পর সালিশ ডাকেন ভুক্তভোগীর নানি। সেখানে বাবুলকে ছয়টি জুতার বাড়ি এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। বাবুলের পরিবার থেকে প্রতিনিয়ত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে মুখ খুললে ঘরবাড়ী ও গ্রামছাড়া করা হবে।


নাম না প্রকাশে শতে সালিশে থাকা একজন বলেন, সালিশের পর অভিযুক্তর কাছ থেকে স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহীন মিয়াসহ ছয় মাতবরের জন্য নেওয়া হয় আরও ৫ হাজার টাকা। সেই টাকা থেকে শাহীন, জাফর আলীর ছেলে বাবুল, সৈয়দ আলীর ছেলে বাবুল ও শাহজালাল নেন ১ হাজার করে। বাকি ১ হাজার টাকা দেওয়া হয় কবির ও সাগরকে। 


এ বিষয়ে শাহীন বলেন, সালিশে জুরি বোর্ড পরিচালনা করেছেন ছন্দু মিয়া, রেনু মিয়া, সাগর, রাজু ও কবির। পরে বিচারের রায় অনুযায়ী অভিযুক্ত বাবুলকে তার বড় ভাই  জুতাপেটা করেন এবং জরিমানার ৫ হাজার টাকা শিশুটির নানির হাতে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এখানে কোন টাকা ভাগভাটোয়া হয় নাই। এটি গুজব।

 

মুরাদনগর থানার ওসি জাহিদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় কেউ লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।