সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০২:১৮:৩৯ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ শেষে যা বললেন আসিফ

মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ শেষে যা বললেন আসিফ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ শেষে তিনি বলেছেন, ‘প্রচারণার ক্ষেত্রে ঝুঁকি রয়েছে। তাই স্বাভাবিক প্রচারণা করতে পারছি না।’

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ধানমন্ডি থানা নির্বাচন অফিস থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন আসিফ। তিনি আসনটিতে স্বতন্ত্র নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন।

ঢাকা-১০ আসনটি নিউমার্কেট, হাজারীবাগ, কলাবাগান এবং ধানমন্ডি থানা নিয়ে গঠিত।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘শরিফ ওসমান হাদির হত্যার আসামিদের এখনো পর্যন্ত সরকার গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এটি সরকারের ব্যর্থতা। প্রার্থিরা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। বিশেষ করে যারা জুলাই অভ্যুত্থানের নেতা। তারা ঝুঁকিতে আছেন।’

তিনি আরও বলেন,‘সরকারকে প্রার্থীসহ জুলাই অভ্যুত্থানেরে নেতাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। শহীদ ওসমান হাদির মতো অবস্থা যাতে আর কারও না হয়।’

এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় ঢাকা-১০ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

তার আগে গত ১০ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন আসিফ মাহমুদ। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন।