মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬ এ ০১:২৯:২৯ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• রাশেদ খানকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির •       • রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস, ৪৬ পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ •       • এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •

অনন্তপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী রুবিনার এসএসসি পাস

অনন্তপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী রুবিনার এসএসসি পাস

আনোয়ার সাঈদ তিতু (কুড়িগ্রাম জলা প্রতিনিধি):-

 

  

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে এক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া একমাত্র শিক্ষার্থী রুবিনা আক্তার পাশ করে প্রতিষ্ঠানের সম্মান রক্ষা করেছেন। জানা গেছে, পরীক্ষার আগে তার সব বান্ধবীর বিয়ে হয়ে যায়। ফলে রুবিনা ছাড়া আর কোনো পরীক্ষার্থী ছিল না। 

 

রোববার (১২ মে) এসএসসি পরীক্ষায় ২.১১ পয়েন্ট পেয়ে পাশ করে পরিবার ও উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের অনন্তপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সম্মান রক্ষা করতে পেরে সবার মাঝে এক আনন্দ বিরাজ করছে। শিক্ষার্থী রুবিনা আক্তার একমাত্র শিক্ষার্থী ছিলেন। 

অনন্তপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী রুবিনার এসএসসি পাস

 

জানা গেছে, অনন্তপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি ১৯৯৮ সালে স্থাপিত হয়। ২০০৪ সালে বিদ্যালয়টির নিম্ন মাধ্যমিক শাখা এমপিওভুক্ত হয়। এরপর ২০১২ সালে মাধ্যমিক পর্যায় পাঠদানের অনুমতি পায়। পাঁচজন এমপিওভুক্ত শিক্ষকসহ প্রতিষ্ঠানটিতে মোট ১১ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। কাগজে-কলমে শতাধিক ছাত্রী দেখানো হলেও বিদ্যালয়টি থেকে মানবিক বিভাগের একমাত্র শিক্ষার্থী রুবিনা আক্তার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। একটি এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে মাত্র একজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ায় শিক্ষকদের কর্মতৎপরতা নিয়ে সচেতন মহলে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ অবস্থার জন্য করোনা ও বাল্যবিবাহকে দায়ী করেছেন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকরা। 

 

শিক্ষার্থী রুবিনা আক্তার জানান, ভালো রেজাল্ট করতে না পারলেও পাশ করে নিজের সম্মানের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের সম্মান রক্ষা করতে পেরেছি। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন যেন সামনের এইচএসসি পরীক্ষায় ভালো করতে পারি। 

 

প্রধান শিক্ষক নুর জামাল মিয়া জানান, রেজাল্টের আগে কিছু টেনশন ছিল। যখন রেজাল্ট সিটে দেখলাম রুবিনা পাশ করেছে খুশি হয়েছি। কারণ সে পাশ করে আমাদের প্রতিষ্ঠানের সম্মান রক্ষা করেছে।