বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৩:২৭:২১ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

মানুষের সেবায় ২১ বছরের অনন্য দৃষ্টান্ত: দফাদার আলমগীর হোসেন

মানুষের সেবায় ২১ বছরের অনন্য দৃষ্টান্ত: দফাদার আলমগীর হোসেন

মো: আমিনুল ইসলাম


 

বাংলার গ্রামীণ সমাজে নিঃস্বার্থভাবে মানুষের সেবায় নিজেকে নিবেদিত কিছু মানুষ থাকেন, যাঁরা নিছক পেশাগত দায়িত্বের বাইরে গিয়ে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।


কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার ১৪ নং নবীপুর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার আলমগীর হোসেন তেমনই একজন ব্যক্তি, যিনি দীর্ঘ ২১ বছর ধরে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে সাধারণ মানুষের সেবা করে আসছেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলমগীর হোসেনের কর্মজীবন শুরু হয়েছিল অত্যন্ত সাধারণভাবে। ছোটবেলা থেকেই তিনি সমাজের মানুষের দুঃখ-কষ্ট কাছ থেকে দেখে বড় হয়েছেন। সেই অভিজ্ঞতাই তাকে সমাজসেবায় অনুপ্রাণিত করে। পরবর্তীতে তিনি দফাদার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ধীরে ধীরে এলাকাবাসীর আস্থা ও সম্মান অর্জন করেন।
 

দফাদার হিসেবে তিনি শুধু প্রশাসনিক দায়িত্বই পালন করেননি, বরং গ্রামীণ সালিশ-বিচার, পারিবারিক বিরোধ মীমাংসা, অসহায় মানুষের খোঁজখবর নেওয়া এবং নিরাপত্তা রক্ষার মতো কাজে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। এলাকাবাসীর কাছে তিনি একজন সৎ, সাহসী ও মানবিক মানুষ হিসেবে পরিচিত।
 

দুর্যোগকালীন সময়ে তার ভূমিকা বিশেষভাবে প্রশংসিত। বন্যা, ঝড়সহ যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। গভীর রাতে অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া কিংবা দরিদ্র পরিবারের জরুরি সহায়তায় এগিয়ে আসা—এসব কাজে তিনি সবসময় ছিলেন অগ্রণী।
 

২১ বছরের দীর্ঘ সেবামূলক জীবনে আলমগীর হোসেন অর্জন করেছেন অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা। সহকর্মী ও স্থানীয়দের মতে, তিনি একজন দায়িত্বশীল ও কর্তব্যপরায়ণ ব্যক্তি, যিনি নিজের কাজকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন।
 

বর্তমান সমাজে যেখানে ব্যক্তিস্বার্থ অনেক সময় প্রাধান্য পায়, সেখানে আলমগীর হোসেনের মতো মানুষরা মানবিকতার আলো ছড়িয়ে সমাজকে আরও সুন্দর করে তুলছেন। তার এই দীর্ঘ সেবা ও ত্যাগ নিঃসন্দেহে আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।