সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৯:০৮:৩৫ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

মুরাদনগরে দুই প্রার্থীর লড়াই, বাকিদের ভরাডুবি কুমিল্লা-৩ আসনে ৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

মুরাদনগরে দুই প্রার্থীর লড়াই, বাকিদের ভরাডুবি কুমিল্লা-৩ আসনে ৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

রায়হান চৌধুরী, মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ

 


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে ভোটের লড়াই উত্তেজনাপূর্ণ হলেও বাস্তবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমাবদ্ধ ছিল মাত্র দুই প্রার্থীর মধ্যে। নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারী বাকি সাত প্রার্থী ন্যূনতম ভোটের সীমা অতিক্রম করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

 

মুরাদনগরে দুই প্রার্থীর লড়াই, বাকিদের ভরাডুবি কুমিল্লা-৩ আসনে ৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

 

এ আসনে মোট নয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও ভোটারদের রায়ে স্পষ্ট হয়ে ওঠে—মাঠে কার্যত দ্বিমুখী প্রতিযোগিতাই মুখ্য ছিল। অন্য প্রার্থীরা ভোটের হিসাবে উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে পড়েন।

 

জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আহমদ আবদুল কাইয়ুম (হাতপাখা) পেয়েছেন ৩ হাজার ৫৯৩ ভোট।
আমজনতার দল-এর চৌধুরী রকিবুল হক (প্রজাপতি) পেয়েছেন ২৪৪ ভোট।
গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি)-এর মনিরুজ্জামান (ট্রাক) পেয়েছেন ৬৩৩ ভোট।
বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি-এর মো. এমদাদুল হক (হাতি) পেয়েছেন ১১১ ভোট।
বাংলাদেশ কংগ্রেস-এর মো. খোরশেদ আলম (ডাব) পেয়েছেন ৭১৭ ভোট।
ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ-এর মো. শরীফ উদ্দিন সরকার (আপেল) পেয়েছেন ১৬৭ ভোট।
এছাড়া জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)-এর রিয়াজ মো. শরীফ (সিংহ) পেয়েছেন ১৫২ ভোট।

 

নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, মোট প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশ ভোট না পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ফলাফল ইঙ্গিত দেয় যে মুরাদনগরে ভোটারদের সিদ্ধান্ত ছিল সুসংহত ও কেন্দ্রীভূত। সাংগঠনিক দুর্বলতা, সীমিত প্রচার এবং মাঠপর্যায়ে প্রভাবের অভাবে ছোট দল ও নতুন রাজনৈতিক শক্তিগুলো এ নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য অবস্থান তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে।