সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৭:০৯:১৪ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

দীর্ঘ ১০ বছর পর বাংলাদেশে আইসিসি বোর্ড সভা

দীর্ঘ ১০ বছর পর বাংলাদেশে আইসিসি বোর্ড সভা

বাংলাদেশের মাটিতে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সবশেষ বোর্ড সভা অনুষ্ঠতি হয়েছিল ২০১৪ সালে। দীর্ঘ ১০ বছর পর আবারও বাংলাদেশের মাটিতে বসতে যাচ্ছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির বোর্ড সভা। আগামী অক্টোবরে আইসিসির বোর্ড সভার ভেন্যু নির্ধারিত হয়েছে বাংলাদেশ। রোববার (২৮ জুলাই) বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

 

বাংলাদেশে বসতে যাওয়া আসন্ন আইসিসির এই বোর্ড সভা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এর কারণ সংস্থাটির আসন্ন নির্বাচনও হবে ঢাকাতেই। তাই এবারের সভাতে সবার নজর আলাদাভাবে থাকবে। আইসিসির বর্তমান কমিটির সর্বশেষ সভা হবে এটি। যেখানে এজেন্ডা থাকবে আইসিসি নির্বাচন, আর্থিক কাঠামো ও ভবিষ্যৎ সফর পরিকল্পনা।

 

এই বিষয়ে বিসিবি সভাপতি পাপন বলেন, ‘আইসিসির পরের বোর্ড মিটিং ঢাকায় হবে। এখানে নির্বাচনটাও হওয়ার কথা। নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। অক্টোবরে বর্তমানে যিনি চেয়ারম্যান আছেন, তার শেষ বোর্ড মিটিং। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার দিয়ে দেয়ার কথা। এটা এর মধ্যেই হয়ে যাওয়ার কথা।’

 

বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য বোর্ড সভাটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ? পাপন বললেন, ‘আইসিসির বর্তমান কমিটির এখন যেহেতু শেষ টার্ম, কিছু ক্রিটিক্যাল সিদ্ধান্ত আছে, যেটার ওপর নির্ভর করবে অনেক কিছু। এখন যা পাস হচ্ছে, তা কিন্তু আট বছর চলবে। কে কত টাকা পাবে, খেলা কী হবে, এ বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য। আমি এখন শুধু আইসিসি ও এসিসি নিয়েই আমার সময়টা ব্যয় করছি। যেন ভবিষ্যতে (বিসিবি সভাপতি পদে) যে-ই আসুক, আইসিসি ও এসিসি নিয়ে কোনো সমস্যায় না পড়েন।’