রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬ এ ০৮:৩৩:২৬ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস, ৪৬ পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ •       • এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •       • স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান •

ইয়াবা ডন বদি গ্রেপ্তার: টেকনাফের মাদক সাম্রাজ্যের পতন?

ইয়াবা ডন বদি গ্রেপ্তার: টেকনাফের মাদক সাম্রাজ্যের পতন?

ঢাকা প্রেস
বিশেষ প্রতিনিধি (চট্টগ্রামে):-


দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারের টেকনাফে ইয়াবা সাম্রাজ্যের সর্দার হিসেবে পরিচিত আবদুর রহমান বদি অবশেষে আইনের আওতায় এলেন। মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। টেকনাফের একটি হত্যা চেষ্টা মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।

 

বদির ইয়াবা সাম্রাজ্য: বদি ও তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারের ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকায় মাদকের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি হিসেবে বদি ও তার ভাইদের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। তার স্ত্রী শাহিন আক্তার চৌধুরী কক্সবাজার-৪ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
 

বদির পরিবারের সদস্যরা যেমন মো. আবদুল শুক্কুর, মজিবুর রহমান, শফিকুল ইসলাম, সৎ ভাই আবদুল আমিন ও ফয়সাল রহমান ইয়াবা সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। ২০০২ সালে টেকনাফ পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে বদি তার অবৈধ কার্যকলাপ আরও বাড়িয়ে দেন। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ থেকে এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। মিয়ানমার থেকে দেশে ইয়াবা পাচারের প্রধান রুট হিসেবে টেকনাফকে পরিণত করা হয় এবং এই অবৈধ কার্যকলাপে বদির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
 

আইনের আড়ালে: বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ প্রশাসন, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকায় বদির নাম থাকা সত্ত্বেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবার রাজ্যে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন।
 

বদির গ্রেপ্তার ইয়াবা ব্যবসার বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত। তবে এই গ্রেপ্তারের মাধ্যমে কক্সবাজারের ইয়াবা সমস্যা সম্পূর্ণরূপে নির্মূল হবে কিনা তা এখনও দেখার বিষয়।