মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০২:২৯:২১ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

সুশাসন প্রতিষ্ঠাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার

সুশাসন প্রতিষ্ঠাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার

জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেছেন, দেশের সব ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দক্ষতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

 

শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

 

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় নিয়োগ, পদায়ন ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে সততা, মেধা ও দক্ষতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তার ভাষ্য, একটি দক্ষ ও সৎ প্রশাসন ছাড়া বাজেটের সফল বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছরে ক্ষতিগ্রস্ত প্রশাসনিক কাঠামোকে পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

 

তিনি বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট দীর্ঘ প্রস্তুতি, অংশীজনদের মতামত এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে বাজেট প্রক্রিয়ায় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন এবং অর্থমন্ত্রী একটি বাস্তবভিত্তিক বাজেট উপস্থাপন করেছেন।

 

আব্দুল বারীর মতে, প্রস্তাবিত বাজেটে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, ওয়ান স্টপ সার্ভিস-এর মাধ্যমে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করা, আর্থিক খাতের সংস্কার, ব্যাংকিং ব্যবস্থা পুনর্গঠন, জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে ফ্যামেরি কার্ড, কৃষক কার্ড, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের ভাতা এবং হেল্থ কার্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি রাখা হয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং মানুষের জীবনযাত্রায় স্বস্তি ফিরবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

 

প্রতিমন্ত্রী জানান, কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। একই সঙ্গে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে প্রধানমন্ত্রী নিজেই বিষয়টি তদারকি করছেন।

 

তিনি বলেন, সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আঙুর, Avocado ও স্ট্রবেরির মতো উচ্চমূল্যের ফলের চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

 

উন্নয়ন কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য বরাদ্দকৃত ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর নজরদারি করছে। এই অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় করা গেলে কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও জাতীয় আয় আরও বাড়বে এবং দেশ উন্নত অর্থনীতির পথে এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।