সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০২:১৯:৪২ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

সরকারের নেওয়া ঋণের প্রভাব বেসরকারি খাতে পড়বে  

সরকারের নেওয়া ঋণের প্রভাব বেসরকারি খাতে পড়বে  

বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক খাতকে বেছে নিয়েছে সরকার। তাই এবার ঘাটতি পূরণে ব্যাংক থেকে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। তবে বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে না দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। সংগঠনটি মনে করে, এতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।

 

শনিবার (৮ জুস) বিকেলে এফবিসিসিআইয়ের মতিঝিল কার্যালয়ে প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ২০২৪-২০২৫ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি মো. মাহবুবুল আলম এ কথা জানান।

 

তিনি বলেন, ঘাটতি মেটাতে সরকারকে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নিতে হবে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে অধিক মাত্রায় সরকারের ঋণ গ্রহণ বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে বলে আমরা আশঙ্কা করি।

 

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। আমরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় গৃহীত কাজের গুণগতমান বজায় রাখা ও দক্ষতার সঙ্গে সময়মতো কাজ সম্পন্ন করা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রেও দক্ষতার বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে, যাতে করে আমাদের উন্নয়ন টেকসই হয়।

 

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ধান, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, মটরশুঁটি, ভোজ্যতেল, চিনি, বাদাম এসব পণ্যের ওপর আরোপিত উৎস কর ২ শতাংশ থেকে কমিয়ে এক শতাংশে করা হয়েছে, যা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে। আইটি সেক্টরের কর অব্যাহতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এতে এই সেক্টরের বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে। স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষা ও প্রসারে বেশ কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট সেক্টরকে উৎসাহিত করবে।