রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে এক পুলিশ কর্মকর্তা আহত হওয়ার পর তেজগাঁও থানা পুলিশের নেতৃত্বে এলাকায় ব্যাপক সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়। এতে ছিনতাইসহ নানা অপরাধে জড়িত ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান জানান, মঙ্গলবার সকালে কারওয়ান বাজারে সন্দেহভাজন এক ছিনতাইকারীকে ধরতে গিয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (বঙ্গভবন নিরাপত্তা) সুমন রেজা ছুরিকাহত হন। ঘটনাটি ঘটার পরপরই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে অভিযান শুরু হয়। তেজগাঁও থানার ওসির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে পেশাদার ছিনতাইকারী, মাদকসেবী, চোর, ডাকাত ও সন্ত্রাসী। অভিযান এখনও চলছে।
উপকমিশনার জানান, সুমন রেজাকে ছুরিকাঘাত করার পর সন্দেহভাজন ছিনতাইকারী নিজের গলাতেও ছুরিকাঘাত করে আত্মহত্যার হুমকি দেয়, ফলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে খুব শিগগিরই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন— মো. জনি, মো. লিটন, শরীফ মোল্লা, মো. জামাল, মো. মনির, সোহাগ মিয়া, মো. নাজমুল, মো. সাকিব, মো. রায়মন, আব্দুর রহমান, সোহেল হোসেন, মো. তুহিন, মেহেদি হাসান, আরিফ গাজী, মো. আকাশ, মো. খায়রুল, মো. রুবেল, মো. মুহিন, মো. মিঠু, নাইম ইসলাম, নাজমুল হোসেন, জনি ইসলাম, মো. সুমন, মামুন হাসান, মো. রিপন, মো. সুজন, মো. ফারুক, সুবেল মিয়া, শুভ কুমার দাশ ও সোহান গাজী। তাদের বেশিরভাগই তরুণ, অন্তত দুইজনের বয়স ১৮ বছরের নিচে।
ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে সোনারগাঁও ক্রসিংয়ে দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্ট রেজা-ই-আলম দস্তগীর সন্দেহভাজন এক ছিনতাইকারীর হাতে ছুরি দেখতে পান এবং আটকানোর চেষ্টা করেন। ওই ব্যক্তি দৌড়ে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচ দিয়ে কারওয়ান বাজারের দিকে পালিয়ে যায়। এ সময় সোনারগাঁও ক্রসিংয়ে অবস্থানরত পুলিশ কর্মকর্তা সুমন রেজা গাড়ি থেকে নেমে ধাওয়া দেন। আটকানোর চেষ্টা করলে ছিনতাইকারী তাঁর ডান হাতে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।







