সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০১:৫৪:৫৭ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• হাতিয়ায় ছাত্রশিবিরের জুলাই শহীদ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন: চ্যাম্পিয়ন তমরুদ্দি হাইস্কুল •       • কীর্তিমানের আলো ও মেধার সম্মান: রাজধানীতে চট্টগ্রাম সমিতির মহা-মিলনমেলা •       • বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রথম মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠার আহ্বান •       • কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০, ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত •       • অভিযানেও থামছে না অবৈধ অটোরিকশা, ডাম্পিং এড়াতে আরও বেপরোয়া চালকরা •       • মুরাদনগরে ২৮ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার •       • অর্থাভাবে থমকে থাকা চোখে আলোর পরশ: মুরাদনগরে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৩০০ মানুষ •       • মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •

মুরাদনগরে তিন দিন বন্ধের পর আবার চালু জান্নাত মেডিকেলের পরীক্ষা কার্যক্রম

মুরাদনগরে তিন দিন বন্ধের পর আবার চালু জান্নাত মেডিকেলের পরীক্ষা কার্যক্রম

শহজাদা আহমেদ-লাভলু (মুরাদনগর উপজেলা প্রতিনিধি):-

 

কুমিল্লার মুরাদনগরে জান্নাত মেডিকেল কম্পিউটারাইজড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষার কার্যক্রম বন্ধের মাত্র তিন দিনের মাথায় পুনরায় চালু করা হয়েছে।

 

গত ৩০ জুলাই (বুধবার) মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সিরাজুল ইসলাম মানিক নিয়মিত পরিদর্শনের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে ল্যাবে নানা ত্রুটি পান। এ কারণে সেদিনই রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেন তিনি।

 

তবে অজানা কারণে তিন দিন পার না হতেই আবারও ওই ল্যাবে পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু হয়।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, জান্নাত মেডিকেল দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া রিপোর্ট দিয়ে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। এক রোগী জানান, এখান থেকে পাওয়া রক্তের গ্রুপ রিপোর্টে সন্দেহ হলে অন্য হাসপাতালে পরীক্ষা করে ভিন্ন ফল পান।

 

এছাড়া, এক মাস আগে এক গর্ভবতী নারী আল্ট্রাসনোগ্রাফি করাতে এসে প্রসবের নির্দিষ্ট তারিখ পান। নির্ধারিত তারিখে পুনরায় পরীক্ষা করে ডাক্তার জানান, শিশুটি ভালো আছে এবং প্রসবের জন্য আরও পাঁচ দিন সময় দেন। ওই সময়ের মধ্যেই প্রসব বেদনা শুরু হলে রোগীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়, কিন্তু সেখানে তিনি মৃত সন্তান প্রসব করেন।

 

কার্যক্রম বন্ধ ও পুনরায় চালুর বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মাহবুব বলেন, "বন্ধের বিষয়ে আমি কিছু জানি না। ডাক্তাররাই বন্ধ করেছিলেন, আবার তারাই অনুমতি দিয়ে চালু করেছেন।"

 

ডা. সিরাজুল ইসলাম মানিক জানান, “ল্যাবে পাওয়া ত্রুটির কারণে রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা বন্ধ করা হয়েছিল। পরে তারা সমস্যাগুলো সমাধান করায় কার্যক্রম পুনরায় চালুর অনুমতি দেওয়া হয়েছে।”