সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬ এ ১২:৩৬:১৮ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• রাশেদ খানকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির •       • রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস, ৪৬ পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ •       • এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •

মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কথা বলার অধিকার কারও নেই: প্রধানমন্ত্রী

মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কথা বলার অধিকার কারও নেই: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা প্রেস নিউজ
মুক্তিযুদ্ধ ও তার বীরদের সমালোচনা করলে দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদের চেতনা ক্ষুণ্ণ হয়।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য অনুযায়ী, মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কথা বলার অধিকার কারও নেই। আইনি দিক থেকে, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান রক্ষা আইন, ১৯৭১ মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান, অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা সংরক্ষণ আইন, ১৯৭৩-এর মাধ্যমে তাদের বিশেষ সুবিধা ও সম্মান নিশ্চিত করা হয়েছে। এই আইন অনুযায়ী, মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বিদ্বেষমূলক বা ক্ষতিকারক বক্তব্য দেওয়া অপরাধ।

 

নৈতিক দিক থেকে, মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাদের ত্যাগ ও বীরত্বের জন্য আমরা তাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। তাদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
 

তবে, মুক্তিযুদ্ধের নামে যারা অনৈতিক কাজ করেছে, তাদের সমালোচনা করার অধিকার আমাদের সবার আছে। মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ ও আদর্শ রক্ষা করার জন্য সুস্থ সমালোচনা গুরুত্বপূর্ণ।
 

সুতরাং, আইন ও নীতিশাস্ত্র অনুযায়ী, মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বিদ্বেষমূলক বা ক্ষতিকারক বক্তব্য দেওয়া অবৈধ ও অনৈতিক। তবে, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ ও আদর্শ রক্ষার জন্য সুস্থ সমালোচনার অধিকার আমাদের সবার আছে।


মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কথা বলার অধিকার আইনগতভাবে বিদ্যমান থাকলেও, নৈতিকভাবে এটি ভুল। তাদের ত্যাগ ও বলিদানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া, এবং মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানা আমাদের সকলের কর্তব্য।