বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০১:১৯:৪৫ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• হাতিয়ায় ছাত্রশিবিরের জুলাই শহীদ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন: চ্যাম্পিয়ন তমরুদ্দি হাইস্কুল •       • কীর্তিমানের আলো ও মেধার সম্মান: রাজধানীতে চট্টগ্রাম সমিতির মহা-মিলনমেলা •       • বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রথম মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠার আহ্বান •       • কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০, ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত •       • অভিযানেও থামছে না অবৈধ অটোরিকশা, ডাম্পিং এড়াতে আরও বেপরোয়া চালকরা •       • মুরাদনগরে ২৮ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার •       • অর্থাভাবে থমকে থাকা চোখে আলোর পরশ: মুরাদনগরে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৩০০ মানুষ •       • মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •

কুড়িগ্রামে দুধকুমার নদীর বাঁধে ধস, আতঙ্কে স্থানীয়রা

কুড়িগ্রামে দুধকুমার নদীর বাঁধে ধস, আতঙ্কে স্থানীয়রা

আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:-

 

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকায় দুধকুমার নদের ডান তীরে নির্মাণাধীন বাঁধে ধস দেখা দিয়েছে। প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ বাঁধের কাজ এখনো শেষ হয়নি। সম্প্রতি টানা বৃষ্টিতে বাঁধের একটি অংশ ধসে পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
 

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, সিসি ব্লক সঠিকভাবে বসানো হয়নি এবং কাজের যথাযথ মনিটরিং না থাকায় অল্প বৃষ্টিতেই ধস নেমেছে। তারা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত সংস্কার না করা হলে আসন্ন বন্যায় নদী ভাঙনের তীব্রতা বাড়তে পারে।
 

তথ্যমতে, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ২০২১ সালের ১০ আগস্ট একনেকে অনুমোদিত ‘দুধকুমার নদী ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বাঁধ নির্মাণের কাজ বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ৬৯২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এর অংশ হিসেবে ১৪ নম্বর প্যাকেজে ইসলামপুর এলাকায় ৫০০ মিটার বাঁধ নির্মাণের দায়িত্ব পায় ঢাকার মগবাজারের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টিআই-পিভিএল-জেডআই জেভি। এই কাজের বরাদ্দ ১০ কোটি ৪২ লাখ টাকা।
 

সরেজমিনে দেখা গেছে, সিসি ব্লকগুলো এলোমেলো হয়ে গেছে এবং বাঁধের বেশ কিছু অংশ ধসে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা—এনামুল, বাসেদ ও লুৎফর রহমান—বলেন, কাজ শুরু হলে তারা আশান্বিত হয়েছিলেন। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার আগেই ধস নেমে তাদের সেই আশা দুর্ভাবনায় পরিণত হয়েছে।
 

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প ব্যবস্থাপক আরিফুল ইসলাম বলেন, “কাজ এখনো চলমান। ইউ-ড্রেন না থাকায় বৃষ্টির পানি সঞ্চিত হয়ে বাঁধে চাপ সৃষ্টি করেছে। নদীর পানি কমলে মেরামতের কাজ শুরু হবে।”
 

পাউবোর উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাফিয়া আখতার জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করে ধসে যাওয়া অংশ দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।