সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬ এ ০৭:২৯:৫৩ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• রাশেদ খানকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির •       • রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস, ৪৬ পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ •       • এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •

টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি: বন্যা আতঙ্ক

টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি: বন্যা আতঙ্ক

টাঙ্গাইল (উত্তর) প্রতিনিধি, ঢাকা প্রেস নিউজঃ-
 

২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি বেড়েছে ৩৩ সেন্টিমিটার, এটি টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় বন্যা আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। নদীর পানি বিপদসীমার ১০৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ঝিনাই নদীও বিপদসীমার ৪৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং ধলেশ্বরী নদী ১৩৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী ও ভূঞাপুর উপজেলার নিচু এলাকায় ইতিমধ্যেই পানি ঢুকেছে। ফলে পাট, তিলসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। বন্যার কারণে ঘরবাড়ি, ফসল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মসজিদের মতো অনেক স্থাপনা হুমকির মুখে।

তবে, টাঙ্গাইল জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন আশ্বস্ত করেছেন যে বড় ধরনের বন্যার সম্ভাবনা নেই। ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণেই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
 

বর্তমান পরিস্থিতি:

যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ১০৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ঝিনাই নদী বিপদসীমার ৪৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং ধলেশ্বরী নদী ১৩৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী ও ভূঞাপুর উপজেলার নিচু এলাকায় বন্যার পানি। ফসলের ক্ষয়ক্ষতি এবং ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ইত্যাদির ঝুঁকি।
 

আগামী পূর্বাভাস:

পানি উন্নয়ন বোর্ডের মতে, বড় ধরনের বন্যার সম্ভাবনা কম। তবে, ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকলে নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। স্থানীয় প্রশাসন বন্যার জন্য প্রস্তুত এবং প্রয়োজনে স্থানীয়দের সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।