মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৫:৫৫:৩০ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

জনপ্রিয় গান ‘এক জুনুন’-এর জন্য ১৬ হাজার কেজি টমেটো আমদানি করা হয়

জনপ্রিয় গান ‘এক জুনুন’-এর জন্য ১৬ হাজার কেজি টমেটো আমদানি করা হয়

যোয়া আখতারের সিনেমা ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’ মুক্তির পর ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। মুক্তির এক যুগ পেরিয়ে যাওয়ার পরও ছবিটি নিয়ে এখনো কথা হয়। সিনেমাটির ‘এক জুনুন’ গানটি তখন দারুণ সাড়া ফেলেছিল। 

গানটিতে স্পেনের জনপ্রিয় ‘লা টোমাটিনা ফেস্টিভ্যাল’ দেখানো হয়। যেখানে টমেটো উৎসবে মেতে উঠতে দেখা যায় হৃতিক রোশান, ক্যাটরিনা কাইফ, ফারহান আখতারদের। সম্প্রতি গানটির শুটিং নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ করেন ছবিটির প্রযোজক। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া


২০১১ সালের ১৫ জুলাই মুক্তি পায় ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’। ছবিটি মুক্তির ১৩তম বার্ষিকীতে প্রযোজক রিতেশ সিধওয়ানি জানিয়েছেন, ‘এক জুনুন’ গানটির শুটিংয়ে ১৬ টন বা ১৬ হাজার কেজি টমেটো ব্যবহৃত হয়।

তবে সে টমেটো জোগাড় করতে গিয়েও কম ঝক্কি পোহাতে হয়নি। রিতেশ বলেন, ‘উৎসবকে বাস্তবসম্মত রূপ দিতে অনেক টমেটো পর্তুগাল থেকে আমদানি করতে হয়েছিল। স্পেনে তখনও টমেটো পাকেনি। ফলে পর্তুগাল থেকেই ১৬ টন টমেটো আমদানি করতে হয়েছিল।’ তিনি আরও জানান, এই টমেটো আমদানি করতে তখনকার এক কোটি রুপি খরচ হয়েছিল।

রিতেশ বলেন, স্পেনের বুনওয়েল শহরের একটি বড় অংশ জুড়ে চলে শুটিং। এই ছবির শুটিং চলাকালে গোটা শহর বন্ধ রাখতে হয়।


পরিচালক যোয়া আখতারের ভাষ্য, ‘উৎসবটি ভারতের দোলের মতো। রং দিয়ে নয়, সেখানে টমেটো দিয়ে হোলি খেলা হয়। দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছিলাম আমরা। তবে বড় পর্দায় দেখতেও দারুণ লাগলেও প্রযোজকের রাতের ঘুম প্রায় উড়ে গিয়েছিল।’

ছবিটি নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন অভিনেতা হৃতিক রোশানও। তিনি জানান, তাঁর বন্ধুই পরামর্শ দিয়েছিল ছবিটি না করতে। তারপরও নিজের একার সিদ্ধান্তেই যোয়াকে ‘হ্যাঁ’ বলেছিলেন।