মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৩:২৭:৪২ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানে সাক্ষরতার হার নিম্নগামী

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানে সাক্ষরতার হার নিম্নগামী

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানে সাক্ষরতার হার বেশ নিম্নগামী। বিশ্ব যখন সাক্ষরতা দিবস উদযাপন করছে, তখন অসন্তোষজনক সাক্ষরতার পরিসংখ্যানের পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানের গর্ব করার মতো কিছুই নেই। এক প্রতিবেদনে এমনটি জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম ডন।

দেশটির শিক্ষা সচিব ওয়াসিম আজমল চৌধুরীর মতে, ২০২২-২৩ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষায় প্রতিফলিত ৬২ দশমিক ৮ শতাংশের তুলনায় প্রকৃত চিত্র ৫৯ দশমিক ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। 

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক সমীক্ষায় উল্লেখিত হার সর্বশেষ আদমশুমারির অনুপস্থিতিতে অনুমানকৃত পরিসংখ্যানের ওপর ভিত্তি করে। তবে, তিনি বলেন, সর্বশেষ জাতীয় আদমশুমারি অনুসারে প্রকৃত সাক্ষরতার হার ৫৯ দশমিক ৩ শতাংশ গণনা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এই সংখ্যাটি আগের প্রকৃত সংখ্যার চেয়ে বেশি ছিল, তাই কেউ বলতে পারে না যে দেশের সাক্ষরতার হার কমেছে।


তাই আগের পরিসংখ্যানের তুলনায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি নাও হতে পারে। তিনি আরো বলেন, এর মধ্যে পাঞ্জাব ৬৬ দশমিক ১ থেকে ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ; সিন্ধুতে ৬১ দশমিক ১ থেকে ৬১ দশমিক ৮; খাইবার পাখতুনখোয়া ৫২ দশমিক ৪ থেকে ৫৫ দশমিক ১ এবং বেলুচিস্তান প্রদেশে সাক্ষরতার হার ৫৩ দশমিক ৯ থেকে ৫৪ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। 

সরকারি সূত্র জানিয়েছে, এটিকে ন্যূনতম অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি, শিক্ষা খাতেও সবচেয়ে কম তহবিল পাওয়া গেছে, যা সাক্ষরতার হার হ্রাসের অন্যতম প্রধান কারণ। একজন স্কুল শিক্ষকের মতে, ৬০ শতাংশ একটি সন্তোষজনক পরিসংখ্যান নয়, কারণ আমাদের জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ এখনো নিরক্ষর রয়ে গেছে। এখানে উল্লেখ করা প্রাসঙ্গিক যে, পাকিস্তান শিক্ষা খাতে তার জিডিপির ২ শতাংশেরও কম ব্যয় করছে। 

জরিপে আরো বলা হয়েছে, ৩২ শতাংশ স্কুলবহির্ভূত শিশু রয়েছে, যেখানে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা বেশি শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। একইভাবে দেশে উচ্চশিক্ষার মানও নিম্নমুখী।