মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০২:১০:৪৬ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

গিনেস বুকে জায়গা পেল ৫০ হাজারের বেশি পাথরের তৈরি পোশাক

গিনেস বুকে জায়গা পেল ৫০ হাজারের বেশি পাথরের তৈরি পোশাক

উজ্জ্বল সাদা রঙের স্ফটিক পাথরের আংটি, ব্রেসলেট, মালা পরতে সবাই পছন্দ করেন। আর উজ্জ্বল সাদা রঙের স্ফটিক পাথর যদি পোশাকে ব্যবহার করা হয় এবং তাও আবার ৫০ হাজারের বেশি তবে তার সৌন্দর্যে তো মুগ্ধ হতেই হবে। আর এমনই একটি পোশাক তৈরি করে গিনিস বুকে জায়গা করে নিয়েছে ইতালির একটি ব্রাইডাল বিপণী।

সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ব্রাইডাল বিপণী মিশেলা ফেরেরিওর বিশেষ কায়দায় তৈরি পোশাকটিতে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্ফটিক ব্যবহার করার কারণে গিনিস বুকে জায়গা করে নিয়েছে। বিয়ের জন্য বিশেষভাবে তৈরি এই গাউনেই ব্যবহার করা হয়েছে ৫০ হাজারের  বেশি স্ফটিক।


প্রতিবেদন অনুসারে, চার মাস ধরে তৈরির পর চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল মিলানে সি স্পোসাইটালিয়া কোলেজিওনি ফ্যাশন শোয়ে এই পোশাকটি সবার সামনে আনা হয়।

প্রসঙ্গত, এই ধরনের বিয়ের পোশাক তৈরিতে বেশ নামডাক রয়েছে এই ব্রাইডাল বিপণীর। নির্মাতারা জানান স্ফটিক কাপড়ের তুলনায় বেশ ভারী পদার্থ। তাই পোশাকের প্রাথমিক স্তরটি বিশেষ কায়দায় নির্মিত।‌ ৫০ হাজার স্ফটিক ধরে রাখতে পারে এমনভাবেই মজবুত করে তোলা হয়েছে কাপড়ের প্রাথমিক স্তরকে। তারপর ওই স্তরের উপর একে একে স্ফটিক বসানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই চোখ ধাঁধানো পোশাকটির বেশ কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সমাজ মাধ্যমে।