সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৬:০০:২৯ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

বহুল আলোচিত ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্প চূড়ান্ত অনুমোদন

বহুল আলোচিত ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্প চূড়ান্ত অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় বহুল আলোচিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পটির প্রস্তাবিত মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

 

বুধবার সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় মোট ১৬টি প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ১১ নম্বরে ছিল পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প। সভায় সভাপতিত্ব করেন সরকারের প্রধান।

 

এর আগে প্রকল্পটি একাধিকবার একনেক সভায় উপস্থাপন করা হলেও অনুমোদন পাওয়া যায়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও এটি উপস্থাপন করা হলেও তখন অনুমোদন হয়নি।

 

অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, জুলাই ২০২৬ থেকে জুন ২০৩৩ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে স্বাদু পানির প্রবাহ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। এতে লবণাক্ততা কমবে, মৃতপ্রায় নদীগুলোতে প্রাণ ফিরে আসবে এবং কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

 

উল্লেখ্য, শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গার পানি ভাগীরথী-হুগলি নদীতে প্রবাহিত করার লক্ষ্যে ১৯৭৫ সালে ভারতের ফারাক্কা ব্যারেজ নির্মাণ করা হয়। এর ফলে পদ্মা নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ কমে যায় এবং বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একাধিক নদী ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

 

ফারাক্কার প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা।

 

তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা ও ফারাক্কা সংক্রান্ত বিষয়কে বড় অনিশ্চয়তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ১৯৯৬ সালের গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে।

 

সংশ্লিষ্টদের মতে, ফারাক্কা ব্যারাজের কারণে পদ্মা নদীর পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে লবণাক্ততা বেড়েছে, যা কৃষি, মৎস্য, নৌ-চলাচল, সুপেয় পানি সরবরাহ এবং সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।