মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৪:১৪:৩০ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• হাতিয়ায় ছাত্রশিবিরের জুলাই শহীদ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন: চ্যাম্পিয়ন তমরুদ্দি হাইস্কুল •       • কীর্তিমানের আলো ও মেধার সম্মান: রাজধানীতে চট্টগ্রাম সমিতির মহা-মিলনমেলা •       • বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রথম মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠার আহ্বান •       • কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০, ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত •       • অভিযানেও থামছে না অবৈধ অটোরিকশা, ডাম্পিং এড়াতে আরও বেপরোয়া চালকরা •       • মুরাদনগরে ২৮ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার •       • অর্থাভাবে থমকে থাকা চোখে আলোর পরশ: মুরাদনগরে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৩০০ মানুষ •       • মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •

জিরো সয়েল কর্মসূচি বাস্তবায়নে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান পরিবেশ উপদেষ্টার

জিরো সয়েল কর্মসূচি বাস্তবায়নে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান পরিবেশ উপদেষ্টার

ঢাকা প্রেস-নিউজ ডেস্ক:-


 

রাজধানীর ধুলাবালি দূর করতে এবং পরিবেশবান্ধব নগরায়নের লক্ষ্যে ‘জিরো সয়েল’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেছেন, নগরীতে আর কোনো উন্মুক্ত মাটি থাকবে না—এ লক্ষ্যে সিটি করপোরেশন, বন বিভাগ ও সাধারণ জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে।
 

তিনি বলেন, “প্রতিটি বাড়ির খোলা মাটি ঘাস কিংবা আইভি লতা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ছাদে গাছ লাগাতে হবে। যার যতটুকু সামর্থ্য, সে অনুযায়ী গাছ লাগাতে হবে। খালি জায়গাগুলো সবুজে ভরে তুলতে হবে।”
 

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) পূর্বাচল নতুন শহরের হারার বাড়ি চত্বরে বন অধিদপ্তর ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) যৌথ আয়োজনে সড়ক বিভাজক, ফুটপাত, খালপাড় ও অন্যান্য বনায়নযোগ্য স্থানে চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
 

তিনি আরও জানান, “আমাদের লক্ষ্য—সেপ্টেম্বরের মধ্যেই ডিএনসিসি এলাকায় একটি উদাহরণ তৈরি করা। সবাইকে বুঝতে হবে, সবুজায়ন কেবল সৌন্দর্য নয়, এটি জীবনের অপরিহার্য অংশ। প্রকৃতির ইকোসিস্টেম ভেঙে ফেলা যাবে না—কারণ বন ইকোসিস্টেম সৃষ্টি করা যায় না, এটি জন্মায় ও বিকশিত হয়।”
 

উপদেষ্টা আরও বলেন, “শুধু আবাসন নয়, বনভিত্তিক পরিবেশ সংরক্ষণও অত্যন্ত জরুরি। এজন্য সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নিয়ে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার ভিত্তিতে এগিয়ে যেতে হবে।”
 

ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, আগামী দিনে ১২০ কিমি মিডিয়ান এবং ১০৮ কিমি খালপাড় সবুজায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। রাজউকের উত্তরা ও পূর্বাচল আবাসিক এলাকায়ও যৌথভাবে বনায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ কার্যক্রমে স্থানীয় জনগণ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম এবং প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী প্রমুখ।
 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর উপদেষ্টা বনানী কবরস্থানের পাশের সড়কে ঘাস রোপণ করে ‘জিরো সয়েল’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।