সারাদিন শেষে ইফতারে এবং এর পরবর্তী সময়ে পর্যাপ্ত পানি পান করা না হলে শরীর পানিশূণ্য হয়ে পড়ে। আবার পর্যাপ্ত পানির অভাবে খাদ্য হজম হতেও সময় নেয়। যেহেতু নানা রকম ভাজাপোড়া খাবার খাওয়া হয়ে থাকে তাই অনেকের কোষ্ঠকাঠিণ্যের মত সমস্যাও দেখা দেয়। তাই পুষ্টিবিদেরা বলে থাকেন, ইফতার ও সাহরিতে কম ক্যালোরির, ফাইবারযুক্ত এবং সহজে হজম হয় এমন খাবার গ্রহণ করতে। এসব বিবেচনায় মাছ বেশ ভালো সমাধান। প্রতিবেলায় মাছ খেলেও শারীরিক কোন ঝামেলায় পড়তে হবে না। আবার সুস্থও থাকা যাবে। কিন্তু প্রতিবেলা তো আর একই ধাঁচে মাছ খাওয়া যায় না। তাই ইফতার বা সাহরিতে পাতে রাখতে পারেন মাছের কাটলেট। জেনে নিন কিভাবে তৈরি করবেন-
উপকরণ
বড় মাছের পেটি- ৬ পিস
লেবুর রস- ১ চা চামচ
সেদ্ধ করে রাখা আলু– ১টি
সয়াসস- ১ টেবিল চামচ
ধনেপাতা- ২ চা চামচ
গোলমরিচের গুঁড়ো- ১ চা চামচ
লবণ- স্বাদ অনুযায়ী
টমেটো কেচাপ- ২ চা চামচ
ডিম- ১টি
কর্ণফ্লাওয়ার- ১ টেবিল চামচ
চাট মসলা- ১/২ চা চামচ
কালোজিরা- ১/২ চা চামচ
তেল- ভাজার জন্য
প্রস্তুত প্রণালী
এ রেসিপিতে রুই, কাতলা, আইড়, কোরাল কিংবা যেকোনো বড় মাছের পেটি ব্যবহার করা যাবে। প্রথমে চুলার উপর একটি প্যান বসিয়ে তাতে অল্প পানি দিয়ে মাছের টুকরাগুলো দিয়ে দিন। সঙ্গে একটু লবণও দিয়ে দিতে হবে। কিছুক্ষণের মধ্যে পানি টেনে শুকিয়ে যাবে এবং সেসঙ্গে মাছও সেদ্ধ হয়ে যাবে। এরপর মাছগুলোর তেলের অংশ বাদ দিয়ে ও কাঁটা বেছে চটকে ভর্তা করে রাখুন।
এবার আলাদা একটি পাত্রে সেদ্ধ করে রাখা আলু, ধনেপাতা, লবণ, সয়াসস, কালোজিরা, চাট মসলা, মাছ ভর্তা, টমেটো কেচাপ, গোলমরিচের গুঁড়ো ও লেবুর রস দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিন। তারপর ডিম ফেটিয়ে তাতে কর্ণফ্লাওয়ার গুলিয়ে নিয়ে মিশ্রণটিতে ঢেলে দিন। সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন।







