মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০২:২৯:২২ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

পাগলা মসজিদের ১৩টি সিন্দুকে মিলল ৪৩ বস্তা টাকা, ভাঙতে পারে অতীতের সব রেকর্ড

পাগলা মসজিদের ১৩টি সিন্দুকে মিলল ৪৩ বস্তা টাকা, ভাঙতে পারে অতীতের সব রেকর্ড

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১৩টি লোহার দানবাক্স বা সিন্দুক থেকে এবার রেকর্ডসংখ্যক ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। 

 

শনিবার সকাল ৭টায় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সিন্দুকগুলো খোলা হয়।

 

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিবের উপস্থিতিতে সিন্দুকগুলো খোলার পর টাকাগুলো ৪৩টি বস্তায় ভরা হয়। এরপর শুরু হয় টাকা গণনার কাজ।

 

এর আগে সর্বশেষ গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর এই দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। সে সময় ১৩টি সিন্দুকে ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছিল, যা গণনা শেষে মোট টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। এ ছাড়া নগদ টাকার পাশাপাশি সিন্দুকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকারসহ নানা ধরনের সামগ্রী পাওয়া যায়।

 

সাধারণত প্রতি তিন থেকে চার মাস পরপর এই সিন্দুকগুলো খোলা হলেও এবার প্রায় ছয় মাস পর এগুলো খোলা হলো। সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিবারই আগের চেয়ে টাকার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। সেই ধারাবাহিকতায় এবং দীর্ঘ সময় পর সিন্দুক খোলায় এবার অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন মাইলফলক সৃষ্টি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

পাগলা মসজিদে শুধু টাকা-পয়সা নয়, মানত হিসেবে দেশ-বিদেশের অসংখ্য মানুষ স্বর্ণালংকার, হাঁস-মুরগি, গবাদিপশু ও বিভিন্ন সামগ্রী দান করে থাকেন। জনশ্রুতি আছে, এক পাগলবেশী আধ্যাত্মিক সাধক নরসুন্দা নদীর বুকে মাদুরে ভেসে এসে এই মসজিদের স্থানে অবস্থান নিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে তাঁকে ঘিরে ভক্তদের সমাগম বাড়তে থাকে। ওই সাধকের মৃত্যুর পর তাঁর কবরের পাশে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়, যা বর্তমানে ‘পাগলা মসজিদ’ নামে দেশজুড়ে সুপরিচিত। প্রায় আড়াই শ বছরের পুরোনো এই মসজিদটি ১৯৭৯ সালের ১০ মে থেকে ওয়াকফ স্টেট পরিচালনা করে আসছে।