সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৭:৫১:২০ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• হাতিয়ায় ছাত্রশিবিরের জুলাই শহীদ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন: চ্যাম্পিয়ন তমরুদ্দি হাইস্কুল •       • কীর্তিমানের আলো ও মেধার সম্মান: রাজধানীতে চট্টগ্রাম সমিতির মহা-মিলনমেলা •       • বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রথম মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠার আহ্বান •       • কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০, ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত •       • অভিযানেও থামছে না অবৈধ অটোরিকশা, ডাম্পিং এড়াতে আরও বেপরোয়া চালকরা •       • মুরাদনগরে ২৮ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার •       • অর্থাভাবে থমকে থাকা চোখে আলোর পরশ: মুরাদনগরে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৩০০ মানুষ •       • মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •

কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙন রোধে নদীতীরে মানববন্ধন

কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙন রোধে নদীতীরে মানববন্ধন

আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:-

 

কুড়িগ্রামে নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। তিস্তা নদীর ভাঙ্গনে সর্বস্বান্ত হচ্ছে শত-শত পরিবার। নদী ভাঙন রোধে সমাধান চেয়ে মানববন্ধনে দাড়িয়েছে সাদুয়া দামারহাটের এলাকাবাসী। 

 

কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙন রোধে নদীতীরে মানববন্ধন


 

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে ওই এলাকার  প্রায় ৫০০ জন মানুষ।
 

এ সময় ভুক্তভোগীরা বলেন, গেল কয়েক বছর ধরে তিস্তার তীব্র ভাঙ্গনে আমাদের বাড়ি, ঘর, দুয়ার,ফসলি  জমি, স্কুল, মসজিদ সবকিছু বিলীন হয়ে গেছে। আমরা ভিটা মাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে জীবন যাপন করছি। 

 

কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙন রোধে নদীতীরে মানববন্ধন — ছবি ২


 

এ সময় বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রশাসন এবং কর্তৃপক্ষ যেন অতি দ্রুত আমাদের ঘরবাড়ি রক্ষা করতে তাড়াতাড়ি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। যদি না করে, তাহলে আমরা কঠোর আন্দোলনের ডাক দেব। 
 

আব্দুর রহমান বলেন, 'আমার ১২ বিঘা জমি ছিল, বাড়ি ছিল, বাগান ছিল, সব  তিস্তার ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে। এখন আমি ফকির হয়ে গেছি। আমার শেষ সম্বল কয়েক কাঠা জমি আছে, যেখানে বসতবাড়ি করে আছি। তবে আমার সেই সম্বল টুকুও ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।'
 

মোমেনা বেগম বলেন, 'আমরা কোন  ত্রাণ চাই না, আমরা কোন পুনর্বাসন চাই না। আমরা চাই,  এখানে একটা যেন  বাঁধ হয়। এই বাঁধ দিলে আমরা  ততেই খুশি। পানি উন্নয়ন বোর্ড শুধুমাত্র এখানে  ভাঙ্গন রোধে  দায়সারা  কিছু জিও ব্যাগ ফেলে। এতে ভাঙ্গন রোধ হয়না, বরঞ্চ ভাঙন আরোও বাড়ে। 
 

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান  বলেন, 'ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় জন্য জিও ব্যাগ ফেলানোর  টেন্ডার  প্রক্রিয়া চলছে। এক সপ্তাহের মধ্যে সেখানে জিও ব্যাগ ফেলানো হবে।'