মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৪:৫২:৩৬ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• হাতিয়ায় ছাত্রশিবিরের জুলাই শহীদ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন: চ্যাম্পিয়ন তমরুদ্দি হাইস্কুল •       • কীর্তিমানের আলো ও মেধার সম্মান: রাজধানীতে চট্টগ্রাম সমিতির মহা-মিলনমেলা •       • বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রথম মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠার আহ্বান •       • কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০, ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত •       • অভিযানেও থামছে না অবৈধ অটোরিকশা, ডাম্পিং এড়াতে আরও বেপরোয়া চালকরা •       • মুরাদনগরে ২৮ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার •       • অর্থাভাবে থমকে থাকা চোখে আলোর পরশ: মুরাদনগরে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৩০০ মানুষ •       • মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •

তাড়াশে মুদি দোকানে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল সাড়ে ১৩ লাখ!

তাড়াশে মুদি দোকানে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল সাড়ে ১৩ লাখ!

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:-

 

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে এক মুদি দোকানির নামে এক মাসে বিদ্যুৎ বিল এসেছে প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ টাকা! অবিশ্বাস্য এ বিলের কাগজ হাতে পেয়ে হতভম্ব দোকানি আব্দুল হাকিম।

 

তাড়াশে মুদি দোকানে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল সাড়ে ১৩ লাখ!


 

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার তালম ইউনিয়নের তালম খাসপাড়া গ্রামে। ভুক্তভোগী আব্দুল হাকিম পেশায় কৃষক হলেও বাজারে একটি ছোট মুদি দোকান চালান। রোববার দুপুরে সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর আওতাধীন তাড়াশ জোনাল অফিস থেকে মে মাসের বিলের কাগজ হাতে পান তিনি। তাতে দেখেন, দোকানের বিদ্যুৎ বিল ধরা হয়েছে ১৩ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৩ টাকা।
 

আব্দুল হাকিম জানান, সাধারণত তার দোকানে মাসে বিদ্যুৎ বিল আসে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকার মতো। তাই বিলের অংক দেখে প্রথমে তিনি ভয় পেয়ে যান। এরপর তাৎক্ষণিকভাবে তাড়াশ জোনাল অফিসে ফোন করে বিষয়টি জানতে চান। অফিস থেকে তাকে সরাসরি গিয়ে কথা বলার পরামর্শ দেওয়া হয়।
 

পরে আব্দুল হাকিম বিলের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে তা মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। নেটিজনরা ঘটনার নিন্দা ও সমালোচনা করে নানা মন্তব্য করতে থাকেন। বিষয়টি জোনাল অফিসের নজরে আসার পর বিকেলে তাদের পক্ষ থেকে বিলটি সংশোধন করে দেওয়া হয়।
 

এ বিষয়ে তাড়াশ জোনাল অফিসের ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. শামসুজ্জামান বলেন, “আব্দুল হাকিমের বিদ্যুৎ বিলের কপিতে ‘প্রিন্ট মিসটেক’ হয়েছিল। বিষয়টি জানার পরপরই আমরা বিলটি সংশোধন করে দিয়েছি।”
 

সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, প্রযুক্তির এই যুগে এমন ভুল কীভাবে ঘটে, আর এতে যদি কেউ ভয় বা মানসিক চাপের শিকার হয়, তার দায় কে নেবে? বিষয়টি আরও সতর্কভাবে দেখার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।