মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৪:৫২:৫৮ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• হাতিয়ায় ছাত্রশিবিরের জুলাই শহীদ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন: চ্যাম্পিয়ন তমরুদ্দি হাইস্কুল •       • কীর্তিমানের আলো ও মেধার সম্মান: রাজধানীতে চট্টগ্রাম সমিতির মহা-মিলনমেলা •       • বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রথম মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠার আহ্বান •       • কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০, ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত •       • অভিযানেও থামছে না অবৈধ অটোরিকশা, ডাম্পিং এড়াতে আরও বেপরোয়া চালকরা •       • মুরাদনগরে ২৮ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার •       • অর্থাভাবে থমকে থাকা চোখে আলোর পরশ: মুরাদনগরে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৩০০ মানুষ •       • মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে রাজনৈতিক নেতাদের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত: স্বাধীন তদন্ত কমিশনের দাবি

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে রাজনৈতিক নেতাদের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত: স্বাধীন তদন্ত কমিশনের দাবি

ঢাকা প্রেস-নিউজ ডেস্ক:-

 

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতাদের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন।
 

বুধবার (২৫ জুন) রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরির বিআরআইসিএম নতুন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) আ. ল. ম ফজলুর রহমান এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, “আমরা রাজনৈতিক নেতাদের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছি, তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই কারো নাম প্রকাশ করা সম্ভব নয়।”
 

তিনি অভিযোগ করেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সময় গঠিত সরকারি তদন্ত কমিটি তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেনি। তার ভাষায়, “চরম অবহেলা করা হয়েছে। গণমাধ্যমও অনেকাংশে বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করেছে। যদি সময়মতো সঠিক সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া হতো, তবে হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহতা অনেকটাই রোধ করা যেত।”
 

মেজর জেনারেল ফজলুর রহমান জানান, এ পর্যন্ত তদন্তে ১৫৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে, এবং আরও ৫০ জনের সাক্ষ্য বাকি রয়েছে। তিনি আরও জানান, পালিয়ে থাকা আওয়ামী লীগ নেতা মির্জা আজম ও জাহাঙ্গীর কবির নানক পিলখানা হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে লিখিতভাবে তাদের সাক্ষ্য দিয়েছেন।
 

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে পিলখানায় সংঘটিত সেই নির্মম হত্যাকাণ্ডে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন প্রাণ হারান, যা দেশের ইতিহাসে অন্যতম নৃশংস ঘটনা হিসেবে বিবেচিত।