মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০২:১০:৪৫ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনস্ট্রিট পার্কিং নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা: নগর পরিবহন ব্যবস্থাপনার এক জরুরি পদক্ষেপ •       • ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ •       • লালমনিরহাটে স্বর্গীয় লাইচি বাসফোর ও রানা স্মৃতি ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত •       • গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে •       • গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল: ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড •       • ভারত থেকে ইলিশ আমদানির ১০৩ এনওসি বাতিল, বন্ধ হলো আমদানি •       • ইউপি নির্বাচনে জামানত পাঁচ গুণ বাড়ল •       • সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন •       • মুরাদনগরের নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী তারেক আহম্মেদ সুমন •       • লোকসান সামাল দিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল বিপিসি •

দেশি তেলবীজ থেকে ভোজ্যতেল উৎপাদনে ১০ বছরের করছাড় ঘোষণা

দেশি তেলবীজ থেকে ভোজ্যতেল উৎপাদনে ১০ বছরের করছাড় ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ

 

দেশীয় তেলবীজ চাষে উৎসাহ প্রদান এবং ভোজ্যতেল শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন কর সুবিধা ঘোষণা করেছে সরকার। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত তেলবীজ কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে ভোজ্যতেল উৎপাদনকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো এখন থেকে ১০ বছর পর্যন্ত আয়কর অব্যাহতির সুবিধা পাবে।
 

এ বিষয়ে শনিবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ভোজ্যতেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ধাপে ধাপে ১০ বছর মেয়াদি কর অব্যাহতির সুবিধা ভোগ করবে। এর মধ্যে প্রথম পাঁচ বছর অর্জিত আয়ের ওপর ১০০ শতাংশ আয়কর অব্যাহতি দেওয়া হবে। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম বছর পর্যন্ত ৫০ শতাংশ এবং নবম ও দশম বছরে ২৫ শতাংশ হারে আয়কর ছাড় পাওয়া যাবে। আগামী ১ জুলাই থেকে এ সুবিধা কার্যকর হবে।
 

কর অব্যাহতির সুবিধা পেতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে কয়েকটি শর্ত মানতে হবে। প্রতিষ্ঠানকে আয়কর আইন, ২০২৩-এর বিধান অনুসরণ করতে হবে এবং কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর অধীনে নিবন্ধিত হতে হবে। পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত তেলবীজ ব্যবহার করে ভোজ্যতেল উৎপাদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
 

এনবিআর জানিয়েছে, কর ছাড়ের সুবিধা শুধুমাত্র ভোজ্যতেল উৎপাদন থেকে অর্জিত আয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এজন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে অন্যান্য আয়ের হিসাব থেকে ভোজ্যতেল উৎপাদনজনিত আয় পৃথকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। এছাড়া প্রতি বছর নিরীক্ষিত হিসাব বিবরণী এবং স্থানীয় তেলবীজ ব্যবহারের তথ্য দাখিল করতে হবে। অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য উৎস কর কেটে তা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতাও থাকবে।
 

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের এ উদ্যোগ দেশীয় তেলবীজ উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধি করবে। একই সঙ্গে আমদানিনির্ভর ভোজ্যতেল খাতে স্থানীয় কাঁচামালের ব্যবহার বাড়িয়ে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।