মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৩:৪৫:৫৪ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• হাতিয়ায় ছাত্রশিবিরের জুলাই শহীদ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন: চ্যাম্পিয়ন তমরুদ্দি হাইস্কুল •       • কীর্তিমানের আলো ও মেধার সম্মান: রাজধানীতে চট্টগ্রাম সমিতির মহা-মিলনমেলা •       • বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রথম মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠার আহ্বান •       • কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০, ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত •       • অভিযানেও থামছে না অবৈধ অটোরিকশা, ডাম্পিং এড়াতে আরও বেপরোয়া চালকরা •       • মুরাদনগরে ২৮ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার •       • অর্থাভাবে থমকে থাকা চোখে আলোর পরশ: মুরাদনগরে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৩০০ মানুষ •       • মুরাদনগর উপজেলার ১৫ নং পশ্চিম নবীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রবীন-নবীনদের পছন্দের শীর্ষে ফারুক আহম্মেদ বাদশা •       • কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ইয়াহিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড, ১২ কোটি টাকার বেশি জরিমানা •       • যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী •

টাংগাইলের নাগরপুরে জরুরি ভিত্তিতে এন্টিভেনম প্রয়োগ,বেঁচে গেলো সাপে কাটা রোগী।

টাংগাইলের নাগরপুরে জরুরি ভিত্তিতে এন্টিভেনম প্রয়োগ,বেঁচে গেলো সাপে কাটা রোগী।

সোহাগ আহম্মেদ (টাংগাইল) বিশেষ প্রতিনিধি:-

 

সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসায় নাগরপুরে এক সাপে কাটা রোগীর জীবন বাঁচলো।
 

নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাণে বেঁচে গেলেন এক সাপে কাটা রোগী। শেফালি মন্ডল (৫০), পেশায় একজন ইট ভাটার শ্রমিক,গত মঙ্গলবার বিকেলে বিষধর সাপে কাটা অবস্থায় নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে আসেন। জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. কাজল পোদ্দার ও তাঁর মেডিকেল টিম দ্রুত রোগীর অবস্থা মূল্যায়ন করে তাৎক্ষণিকভাবে বিষধর সাপের কামড় হিসেবে শনাক্ত করেন এবং জরুরি ভিত্তিতে এন্টিভেনম প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নেন।
 

ডা. কাজল পোদ্দার জানান, রোগীকে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে ২০ মিনিটের ব্লাড কোয়াগুলেশন টেস্ট নেগেটিভ এলেও তাঁর মধ্যে নিউরোলজিক্যাল উপসর্গ দেখা যাচ্ছিল। এক্ষেত্রে সময়ই সবচেয়ে বড় অস্ত্র — তাই দেরি না করে এন্টিভেনম প্রয়োগ করা হয়, যা রোগীর জীবনের জন্য ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 

চিকিৎসা পাওয়ার পর ধীরে ধীরে রোগীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে থাকে। নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (UH&FPO) ডা. মো. হাফিজুর রহমান জানান, রোগীকে ভর্তি রাখার পর সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। চিকিৎসক ও নার্সদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও যত্নে রোগী ধীরে ধীরে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে আজ বাড়ি ফিরে গেছেন।
 

তিনি আরও বলেন, “এই সফলতার পেছনে থাকা চিকিৎসক, নার্স এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। নাগরপুরবাসীর জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ — সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত ও চিকিৎসার মাধ্যমে প্রাণ বাঁচানো সম্ভব।”
 

তিনি সবাইকে সর্প দংশনের বিষয়ে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “সাপে কাটলে দেরি না করে দ্রুত নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে চলে আসুন। নিজের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবেন না।”
 

এই ঘটনা নাগরপুরের স্বাস্থ্যসেবার মান ও জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা আবারও প্রমাণ করলো।