সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬ এ ০৬:৩৪:০৮ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• রাশেদ খানকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির •       • রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস, ৪৬ পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ •       • এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •

আদালত থেকে বেরিয়ে যা বলেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস:

আদালত থেকে বেরিয়ে যা বলেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস:

ঢাকা প্রেস নিউজ


ড. ইউনূস বলেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) তাঁর বিরুদ্ধে কোন ট্যাক্স মামলা করেনি। তিনি আরও বলেন, ২০১২ সালে তারা গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে ২৯টি অভিযোগ ও তাদের জবাব একটি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন।

 

ড. ইউনূস জানিয়েছেন যে প্রধানমন্ত্রী যদি আলোচনা করতে চান তবে তিনি রাজি। তিনি এও বলেছেন যে প্রধানমন্ত্রী যেসব অভিযোগ এনেছেন তার বেশিরভাগই গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে, তাই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও বোর্ড সদস্যদেরও অভিযুক্ত হওয়া উচিত।
 

ড. ইউনূস আশাবাদী যে আইনি লড়াইয়ে জয়ী হবেন। তিনি বলেছেন যে তিনি এবং গ্রামীণ ব্যাংকের অন্যান্য অভিযুক্ত কর্মকর্তারা খাঁচায় যেতেও প্রস্তুত।
 

"এগুলো হলো তদন্তের বিষয়, বিতর্কের বিষয় নয়। এটা আইন-আদালতের বিষয়, বিচার বিভাগের বিষয়। এখানে বিতর্কের কী আছে বা ডায়ালগের কী আছে, আমি তো কিছু পেলাম না। কাজেই আমার মনে হয়, এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই।"
 

"আমার একটা জিনিস ভালো লেগেছে তার কথায়, তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ এনেছেন। যেসব অভিযোগ এনেছেন, এগুলো গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে। ইতোমধ্যে আইন-আদালতে ঘোরাঘুরি করে একটা জিনিস শিখেছি যে, প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যখন অভিযোগ করা হয়, তখন চেয়ারম্যান এবং বোর্ড সদস্য সবাইকে অভিযোগ করা হয়।"
 

"কাজেই আমার খুব ভালো লাগবে তাদের সঙ্গে আসা। আমি তখন ম্যানেজিং ডাইরেক্টর, দুই নম্বরে আমি, তারা সব এক নম্বরে এবং খাঁচা যদি ততদিন টিকে থাকে আমরা সবাই মিলে খাঁচার ভেতরে থাকবো। এটা আমার কাছে খুব ভালো লাগবে।"