সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬ এ ০৩:০৮:৫২ এএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• রাশেদ খানকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির •       • রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস, ৪৬ পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ •       • এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •

ডা. সাবরিনা ও ডা. আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা:

ডা. সাবরিনা ও ডা. আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা:

ঢাকা প্রেস নিউজ


করোনা মহামারির সময় চিকিৎসায় দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সাবেক চিকিৎসক ডা. সাবরিনা শারমিন হুসাইনসহ সাতজনের নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।


 

অভিযোগ: করোনা মহামারির সময় চিকিৎসায় দুর্নীতি ও অনিয়ম। ভুয়া কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট তৈরি ও বিতরণ। অবৈধভাবে অর্থ আত্মসাৎ। ক্ষমতার অপব্যবহার। জালিয়াতি ও প্রতারণা।
 

আসামিরা:

অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, সাবেক মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

ডা. সাবরিনা শারমিন হুসাইন, সাবেক রেজিস্ট্রার, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল।

আরিফুল চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জেকেজি হেলথ কেয়ার।

জেকেজি হেলথ কেয়ারের আরও ৩ কর্মী।

জেবুন্নেসা রিমা, মালিক, জেকেজি হেল্থ কেয়ার।
 

মামলার বিবরণ: দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগ, ডা. সাবরিনা তার স্বামীর মালিকানাধীন জেকেজি হেলথ কেয়ারকে অনুমোদনহীনভাবে কোভিড পরীক্ষার কাজ দেন। প্রতিষ্ঠানটি বিনামূল্যে বুথ থেকে নমুনা সংগ্রহের অনুমতি পেয়েও, ঘরে ঘরে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে। ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করে প্রতারণা করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ডা. সাবরিনা তার জন্মতারিখ পরিবর্তন করে চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর চেষ্টা করেছেন। মামলাটি দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় দায়ের করা হয়েছে।
​​​​​​​

বর্তমান অবস্থা: মামলাটি তদন্তের অধীনে রয়েছে। আসামিরা এখনো অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ নেই বলে দাবি করেছেন।