সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬ এ ০৮:২২:০১ পিএম (বাংলাদেশ সময়)
ব্রেকিং নিউজ:
• রাশেদ খানকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির •       • রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে শতভাগ পাস, ৪৬ পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ •       • এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ শনিবার •       • লগি-বৈঠার তাণ্ডব ইতিহাসের জঘন্যতম মানবতাবিরোধী অপরাধ: ডা. ইরান •       • কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী •       • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৮১, মামলা ৪৮ •       • দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড •       • মুরাদনগরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরির্দশন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ •       • মা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোক •       • ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুন, ১৫ কিমি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ •

মালয়েশিয়া যেতে না পারা ৩০ হাজার কর্মী: রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য

মালয়েশিয়া যেতে না পারা ৩০ হাজার কর্মী: রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য

ঢাকা প্রেসঃ
মালয়েশিয়া সরকারের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশটিতে প্রবেশ করতে না পারায় ৩০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী মালয়েশিয়া যেতে পারেননি।

বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান বলেছেন, যাদের ভিসা আছে কিন্তু সময়মতো মালয়েশিয়ায় পৌঁছাতে পারেননি তাদের দ্রুত নিয়ে আসার জন্য চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

শ্রমবাজার সংশ্লিষ্টদের ধারণা, মালয়েশিয়া সরকার ২০২৪ সালের দ্বিতীয়ার্ধে নতুন কোটা বরাদ্দ করে আবার কর্মী নেওয়া শুরু করবে।

 

৩১ মে মালয়েশিয়া সরকারের নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভিসা সহ কর্মীদের ভিড় ছিল, অনেকেই লাখ টাকা খরচ করে ভিসা ও টিকিট কিনলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মালয়েশিয়া পৌঁছাতে ব্যর্থ হন, হাইকমিশনার শামীম আহসান আশ্বস্ত করেছেন যে, আটকা পড়া কর্মীদের দ্রুত নিয়ে আসার জন্য তারা যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন, তিনি আরও বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে ৫ লাখেরও বেশি কর্মীর ডিমান্ড লেটার সত্যায়িত করা হয়েছে এবং এর মধ্যে ৪ লাখ ৭২ হাজারেরও বেশি কর্মী ইতিমধ্যেই মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছে, ২০০৯ সালে প্রথমবারের মতো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ করা হয়েছিল। এরপর ২০১৬ সালে কিছুদিনের জন্য খুলে আবার বন্ধ করে দেওয়া হয় ২০১৮ সালে। ২০২২ সালে আবার খুলেছিল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, ধারণা করা হচ্ছে, মালয়েশিয়া সরকার ২০২৪ সালের দ্বিতীয়ার্ধে নতুন কোটা বরাদ্দ করে আবার বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে কর্মী নেওয়া শুরু করবে।